গল্পঃ পৃথিবীর যত সুখ

‘অ্যাই, শুনছো? অ্যাই! ঘুম ভাঙছে না বুঝি?’
নীলার কানের কাছে প্রায় ফিসফিস করে পাঁচ মিনিট ধরে ডেকে যাচ্ছে অনিক। কিন্তু ভালোবাসা মাখা সেই ডাক যেন কানেই যাচ্ছে না নীলার। শরীরটা ভালো না তার। তাই হঠাৎ করে তাকে ডেকে তুলতে চাচ্ছে না অনিক। মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে আরেকবার ডাকায় আস্তে করে চোখ মেললো নীলা। অনিকের মুখে হাসি ফুটলো। প্রতিদিন সকালে নীলার ঘুম থেকে ওঠার দৃশ্যটা সে কখনোই মিস করে না। কেন যেন এই দৃশ্যের মাঝেও অনেক মানসিক শান্তি খুঁজে পায় সে।

‘আমাকে যে অফিসে যেতে হবে!’ বলল অনিক।
‘ওহ! কয়টা বাজে?’
‘প্রায় সাতটা।’
‘ও।’

মনটা আবার খারাপ হয়ে গেল অনিকের। নীলা কিছুই বললো না। ওর শরীরটা আসলেই ভালো না। অন্যান্য দিন এমন সময় নীলা ব্যস্ত হয়ে দৌড়াদৌড়ি করে অনিকের জন্য নাস্তা রেডি করে। অনিকও যতোটা সম্ভব নীলাকে কাজে সাহায্য করে। কিন্তু আজ নীলার শরীর খারাপ বলে তাকে আর ডাকেনি অনিক। যাবার মূহুর্তে বলে যাওয়ার জন্যই ঘুমটা ভেঙ্গেছে নীলার।

‘আমার আজকে অফিসে যাওয়া একদমই উচিৎ নয়, কিন্তু আজ এমনই কিছু কাজ আছে যে না গিয়েও পারছি না,’ মন খারাপ করে কৈফিয়তের সুরে নীলার কানের কাছে বললো অনিক।
নীলা তার দিকে না তাকিয়েই ক্ষীণ কণ্ঠে বললো, ‘সমস্যা নেই, তুমি যাও।’
তার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলো অনিক। আর দুই-এক মিনিট, তারপরই নীলা পুরোপুরি সজাগ হয়ে উঠবে। সেই দুই মিনিট সময় পার করলো সে নীলার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে।

‘শোনো, আমি নাস্তা তৈরি করে গেছি, তুমি ঠিক এক ঘণ্টা পর আটটায় বিছানা থেকে উঠবে। ফ্রিজে ব্রেড রাখা আছে। আমি জেলি দিয়ে রেখেছি, তুমি খেয়ে নিও। আর খাওয়া শেষে পুরো দুই গ্লাস পানি খাবে। পানি খেয়ে সোজা বিছানায় যাবে। কোনো কাজের বাহাদুরি দেখাতে হবে না, বুঝেছো?’ প্রায় যেন আদুরে ধমক দিলো অনিক।

তার এই আচরণের সঙ্গে পরিচিত নীলা। সে একটু হেসে বললো, ‘আচ্ছা ঠিক আছে।’ অনিক বলে চললো, ‘দুপুরের ভাতও আমি রান্না করে রেখেছি। তরকারি কাল রাতেরটাই আছে, আর রান্নার দরকার হবে না। আমি ফোন করে তোমাকে ডেকে দিবো যদি ঘুমিয়ে থাকো। দুপুরে কিন্তু অবশ্যই খেয়ে নিবে সোনা। তোমার শরীরটা ভালো না। না খেলে কিন্তু শরীর আরো খারাপ হবে।’

Continue reading

প্রকাশিত হলো আমার ছোটগল্প “রিটার্ন”

প্রায় মাসখানেক আগে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ব্লগে ঘোরাঘুরির সময় ছোট একটি গল্প পড়েছিলাম। গল্পটি ইংরেজিতে লেখা ছিল। পড়ার পর মনে হয়েছিল ঐ ব্লগারই গল্পটির রচয়িতা। আমি মন্তব্য করেছিলাম পোস্টটিতে। তারপর আর ঐ সাইটের ঠিকানা মনে রাখিনি। কারণ, আমার মন্তব্যের জবাব দেয়া হলেই আমি নোটিফিকেশন পেয়ে যেতাম।

ভাগ্য খারাপ, আমার মন্তব্যের জবাব দেয়া দূরে থাক, তা অনুমোদনই করা হয়নি। ফলস্বরূপ, আমার মন্তব্য প্রকাশিতই হয়নি ঐ পোস্টটিতে। আর এভাবেই আমি ছোট ঐ গল্পটি ইন্টারনেটের দুনিয়ায় হারিয়ে ফেললাম। গল্পটা অনেক ভালো লাগায় তখনই সিদ্ধান্ত নেই এটা বাংলায় লিখবো। মূল গল্পটা মাত্র এক পৃষ্ঠার। লেখক সোজা পয়েন্টগুলো রাফলি লিখে গেছেন। ‘রিটার্ন’ গল্পে আমি পুরো একটি প্লট তৈরি করেছি এবং তার সঙ্গে চরিত্রগুলোকে সাজিয়েছি। তাই এটিকে আলাদা একটি গল্পও বলা যেতে পারে। তবুও যেহেতু মূল আইডিয়া আরেকজনের কাছ থেকে পেয়েছি, সেহেতু এটা উল্লেখ করতে দ্বিধাবোধ করছি না।

return bangla story

Click the image to go to download page

যাই হোক, গল্পটির ইবুক প্রকাশিত করলাম মাত্র। আশা করি সবারই ভালো লাগবে। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। গল্প পড়া শেষ হলে তা অন্যদের সঙে শেয়ার করতে ও গল্প সম্বন্ধে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না যেন।

cÖvq gvmLv‡bK Av‡M B›Uvi‡b‡U wewfbœ eø‡M †NvivNywii mgq †QvU GKwU Mí c‡owQjvg| MíwU Bs‡iwR‡Z †jLv wQj| covi ci g‡b n‡qwQj H eøMviB MíwUi iPwqZv| Avwg gšÍe¨ K‡iwQjvg †cv÷wU‡Z| Zvici Avi H mvB‡Ui wVKvbv g‡b ivwLwb| KviY, Avgvi gšÍ‡e¨i Reve †`qv n‡jB Avwg †bvwUwd‡Kkb †c‡q †hZvg|

fvM¨ Lvivc, Avgvi gšÍ‡e¨i Reve †`qv `~‡i _vK, Zv Aby‡gv`bB Kiv nqwb| dj¯^iƒc, Avgvi gšÍe¨ cÖKvwkZB nqwb H †cv÷wU‡Z| Avi Gfv‡eB Avwg †QvU H MíwU B›Uvi‡b‡Ui `ywbqvq nvwi‡q †djjvg| MíUv A‡bK fv‡jv jvMvq ZLbB wm×všÍ †bB GUv evsjvq wjL‡ev| g~j MíUv gvÎ GK c„ôvi| †jLK †mvRv c‡q›U¸‡jv ivdwj wj‡L †M‡Qb| ÔwiUvb©Õ M‡í Avwg cy‡iv GKwU cøU ˆZwi K‡iwQ Ges Zvi m‡½ Pwiθ‡jv‡K mvwR‡qwQ| ZvB GwU‡K Avjv`v GKwU MíI ejv ‡h‡Z cv‡i| ZeyI †h‡nZz g~j AvBwWqv Av‡iKR‡bi KvQ †_‡K †c‡qwQ, †m‡nZz GUv D‡jøL Ki‡Z wØav‡eva KiwQ bv