আপনি কেন ভয় পান?

ভূতুড়ে বাড়ি

মূলঃ Why Do you fear?

অনেক বিজ্ঞানী বা গবেষকই বিশ্বাস করেন সুপারন্যাচারাল বা অতিপ্রাকৃতিক বিষয়সমূহে। অন্যদিকে অনেক বিজ্ঞানী একে স্রেফ অবিশ্বাস করেন। এর কারণ হতে পারে এই যে, সুপারন্যাচারালের অস্তিত্বের প্রমাণগুলো চাক্ষুস নয়। দেখা যায়, এসব ঘটনা খুব অল্পসংখ্যক মানুষের জীবনেই ঘটে। তবে আমার কথা হচ্ছে, ভৌতিক কিছু না ঘটলেও কিছু কিছু জায়গা কিন্তু আমাদের মনে ভীতির সৃষ্টি করে। যেমন গভীর রাতে কোনো ঝোপ-ঝাড়ে, জঙ্গলে, কিংবা বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত কোনো বাড়িতে ঢুকতে গেলে স্বভাবতঃই আমরা ভয় পাবো। কিছু না ঘটলেও আমাদের মনে ভয়-ভীতি কাজ করবেই। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন?

আমি নিজেকে কখনো জিজ্ঞেস করিনি আমি কেন ভয় পাই। বরং “ভয়” নিয়ে চিন্তা করার সময় হঠাৎই জবাব পেয়ে গেছি কেন আমরা ভয় পাই। আমরা ভয় পাই এর আসল কারণ হচ্ছে আমাদের মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
Continue reading

একটি ভয়ঙ্কর ভূতের বাড়ির কথা (দ্বিতীয় পর্ব)

প্রথম পর্বের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বাইরে অনেক বাতাস। স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক ঠাণ্ডা। গ্রীষ্মের এই অত্যধিক ঠাণ্ডা বাতাসের দু’টো অর্থ হতে পারে। এক, ঝড়-বৃষ্টি আসছে, অথবা দুই, ঝড়-বৃষ্টি হয়ে গেছে। আজকের ক্ষেত্রে বৃষ্টি হয়ে গেছে। তাই বাইরে অনেক ঠাণ্ডা বাতাস। ড্রয়িংরুমের পর্দাটা থেকে থেকেই কেঁপে উঠছে। আকাশে ছোট্ট একটা চাঁদ। ফ্যাকাসে রঙের চাঁদটার পাশ কেটে যাচ্ছে অসংখ্য খণ্ড খণ্ড মেঘ।

ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে বসে এসব দেখা যায় না। এই দৃশ্য চোখে পড়লো যখন রাত ১১.৪৫ মিনিটে বাড়ির মেইন গেইট লাগানোর জন্য বের হলাম। বাসার চারপাশে সব বিল্ডিং। এসবের মাঝেও প্রকৃতির অশুভ ও অপূর্ব এই দৃশ্য চোখে পড়া যেন ভাগ্যেরই ব্যাপার। গেইটটা খোলা ছিল। আমাদের বাসা দক্ষিণমুখী। আর বাসার সামনেই গলির রাস্তা। তাই খোলা জায়গা দিয়ে গেইটে প্রচুর বাতাস আসে। সেই বাতাসে গেইট যেন আপনা-আপনিই নড়ে উঠছিল। গেইট লাগানোর ঠিক পূর্ব-মূহুর্তে চোখে পড়লো আজকের পোস্টের মূল বিষয়, হাজীর বিল্ডিং।

Continue reading