এলো এইচএসসি, আর বরাবরের মতোই দুশ্চিন্তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না!

hsc exam

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হতে যাচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। এরকম খবর প্রতি বছর পত্র-পত্রিকায় পড়ে আসলেও এবারের ঘটনা ভিন্ন। কেননা, এবার আমাকেই বসতে হবে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায়।

প্রিপারেশন জানতে চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।পরীক্ষা নিয়ে টেনশন কোনোকালেই কেন যেন ছিল না। পড়াশোনার প্রতি খুব একটা টান বা মনোযোগ দু’টোর একটাও নেই। অনেক আগে ক্লাস ওয়ান-টু-তে পড়াকালীন বেশ প্রখর ছাত্র ছিলাম বলে অভিভাবক সূত্রে জানা যায়। 😐 কিন্তু সেসব দিনের কথাই মনে পড়ে না। তাই এইচএসসি পরীক্ষা সামনে রেখে এখন ব্লগিং করছি আর ফেসবুকে বসে আছি।

আমার সম্পর্কে মানুষের একটা জনপ্রিয় ভুল ধারণা হলো, আমি মারাত্মক ট্যালেন্টেড। কোনো এক অশরীরী আমার নামে সাইবার ওয়ার্ল্ডে এই দুর্নাম ছড়াচ্ছে তা এখনও বের করতে না পারলেও মানুষ কেন সেটা বিশ্বাস করে সেটা আরও বড় অবাক হওয়ার কারণ। আমি হলাম পুরোমাত্রায় টেক-অ্যাডিক্টেড মানুষ। টেক-অ্যাডিক্টেড মানুষ পড়ালেখা করে না এমনটা না। কিন্তু তবুও আমার আলসেমিটা একটু বেশিই। 😕 Continue reading

অ্যান্ড্রয়েড কথন হ্যাক ও এ নিয়ে আমার কিছু কথা

অ্যান্ড্রয়েড কথনঅ্যান্ড্রয়েড কথনের সূচনা নিয়ে আগেই একবার লিখেছিলাম। আজ সন্ধ্যায় সাইটটি হ্যাক হয়ে যাবার পর মনে হলো পাঠকদের উদ্দেশ্যে আমার কিছু লেখা উচিৎ। এছাড়াও ব্যাকআপ ফাইল আপলোড হতে যে সময় নিচ্ছে ততক্ষণে ক্ষোভ-দুঃখ ঝাড়ার মতো একটাই উপায় আছে আমার কাছে, লেখা।

সূচনা

অ্যান্ড্রয়েড কথনের যাত্রা শুরু হয় একরকম হঠাৎ করেই। আমার প্রথম অ্যান্ড্রয়েড কেনার প্রায় কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মনে হলো অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে ডেডিকেটেড কোনো সাইট থাকা প্রয়োজন। ইতোমধ্যেই অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারে অনেক লেখা আছে, কিন্তু ডেডিকেটেড কোনো সাইট নেই।

এরচেয়েও বড় কারণ ছিল, লেখালেখি বা ব্লগিং-এর প্রতি আমার একটা নেশা আছে। অ্যান্ড্রয়েড হাতে পাবার পরই মনে হয়েছে এটা নিয়ে অনেক লেখালেখি করা যাবে। আর লেখক/ব্লগার মাত্রই জানেন যে, সবাই এই আশা করে যে তার লেখা মানুষ পড়বে।

যাই হোক, অনেকটা চুপিসারেই অ্যান্ড্রয়েড কথনের যাত্রা শুরু হয়। ফেসবুকে কেবল আমার বন্ধুতালিকায় থাকা ভাইয়ারাই প্রথমে সাইটটি দেখেন ও এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। ফেসবুকের মাধ্যমেই মূলত অ্যান্ড্রয়েড কথন মাত্র ৩ মাসে দেড় লাখেরও বেশি পেজভিউ পেতে সক্ষম হয়। বর্তমানেও অ্যান্ড্রয়েড কথনের প্রধান দুই ট্রাফিক সোর্স হলো ফেসবুক আর গুগল।

সময় পেরোতে থাকে। আমিও বিপুল উদ্যমে লিখতে থাকি। কিছু কিছু ভাইয়া পরামর্শ দেন বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতেও লেখার। এতে করে অ্যাডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট ইত্যাদি মাধ্যম থেকে আয়-রোজগার করা যাবে। ইংরেজিতে লিখতে আমার কোনো বাধা নেই। কিন্তু লেখার চেয়ে মার্কেটিং, এসইও ইত্যাদি কাজে বেশি সময় কাটাতে হবে। এছাড়াও ইংরেজি সাইট দাঁড় করানোও বেশ কঠিন। অন্যদিকে অ্যান্ড্রয়েড কথন মোটামুটি পরিচিতি পেয়ে গেছে। মানুষ নিয়মিত অ্যান্ড্রয়েড কথন পড়ছেন। তৈরি কমিউনিটি ছেড়ে অন্যদিকে যেতে সায় দিচ্ছিল না মন। তাছাড়া আমার সামনে পরীক্ষা রেখে দু’টো সাইট চালানোও সম্ভব না। Continue reading

অল্পক্ষণের নিরাশার কথা

‘হুম।’
‘তোমাকে ডিস্টার্ব করে থাকলে সরি।’
‘দেখো, আর যাই করো, বেশি বুঝবানা। তাহলে কিন্তু মেজাজ খুব খারাপ হয়।’
‘বেশি বুঝার কিছু নাই। আমার মনে হচ্ছে আমি তোমাকে ডিস্টার্ব করছি। সে জন্য বললাম।’
‘হুম।’

দুপুর থেকে ফেসবুকে বসে রয়েছি। ঘুম থেকে উঠেছি দেরি করে। আগের রাতে ঘুমিয়েছিও দেরি করে। ঘুম থেকে উঠে গিয়েছিলাম আইডিবিতে। একটা রাউটার আর কিবোর্ড কেনার খুব দরকার ছিল। ঈদের আগেরদিন আইডিবি বন্ধ থাকবে জানতাম না। শুধু শুধুই গিয়ে ঘুরে এলাম। আসার পর ল্যাপটপ খুলে বিছানায় আধশোয়া হয়ে পড়ে রয়েছি। ঘুমও আসছে না, কাজ করতেও ইচ্ছে করছে না। আগামীকাল কুরবানীর পরের হাজারটা কাজের কথা চিন্তা করে এখনই মাথা ধরতে শুরু করেছে। আমি এমনিতেও কথা কম বলি। ‘হুম’ হচ্ছে আমার সবচেয়ে বেশি বলা আর লেখা শব্দ। তাই কেউ আমাকে বারবার হুম বলতে দেখলে প্রায়ই ভুল বুঝে যে আমি এড়ানোর চেষ্টা করছি।

কিন্তু কয়েকদিন কথা বলার পর বুঝে যাওয়ার কথা যে ‘হুম’ হচ্ছে আমার সবচেয়ে বেশি বলা শব্দ। কিন্তু তাও না বুঝলে আমার আর কী করার আছে। তাই আমিও তর্কে গেলাম না। বিছানায় আধশোয়া হয়ে পড়ে রইলাম। Continue reading

শূন্য অনুভূতি

গতকালের মতো আজও কেমন যেন একটা শূন্য অনুভূতি রয়ে গেছে। সত্যি কথা বলতে কি, আজকের শূন্য অনুভূতিটা গতকালের চেয়ে গাঢ়। বাউলরা গান গেয়ে চলেছে। তাদের বাদ্যযন্ত্রের সুর না চাইলেও শুনতে হচ্ছে। তাদের সুর যেমনই হোক না কেন, বরাবরের মতোই কেমন যেন শূন্য একটা অনুভূতি এনে দিচ্ছে। বাইরে আজও কুয়াশা পড়েছে। কিন্তু অজানা কোনো স্মৃতির উদ্দেশ্যে আমি আজ স্মৃতির পাতা হাতড়াচ্ছি না। কিছু একটা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চাচ্ছি। একটু ভালো থাকতে চাচ্ছি।

হঠাৎ করেই ভালো থাকাটা বেশ কঠিন মনে হচ্ছে কেন যেন। আর শূন্য অনুভূতিটা এতোটাই গাঢ় রূপ নিয়েছে যে, বিশ্বাস করতে বাধ্য হচ্ছি, শূন্যই শেষ নয়। শূন্যেরই প্রকারভেদ আছে। হালকা শূন্য, মোটামুটি শূন্য কিংবা ঘন শূন্য। আর অংকের হিসেবে বলতে গেলে বলতে হবে এই মূহুর্তে আবার অনুভূতিটা শূন্য3। গাণিতিকভাবে এটা শুদ্ধ হোক বা না হোক, মানসিকভাবে এটাই এখন সত্যি।

অনিশ্চিতের উদ্দেশ্যে

কুয়াশা

দু’ধারে ল্যাম্পপোস্ট, দু’জোড়া পা, কুয়াশার মাঝে হারিয়ে যাওয়া

এখন অনেক রাত। মধ্যরাত যদি রাত বারোটাকে বলা হয়, তাহলে মধ্যরাত পেরিয়েছে ১ ঘণ্টা ১৭ মিনিট আগে। অবশ্য দূরের মাজারের মাইকের আওয়াজ এখনও দিনের মতোই স্পষ্ট। বলা যায়, দিনের চেয়ে বেশি স্পষ্ট। বাউলরা মিলে গান ধরেছে। গতকাল উরস ছিল বলে সেই রেশ এখনও কাটেনি। আগে প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত বাউলদের গান শোনা যেত। আজ অনেকদিন পর সেই অনুভূতিটা ফিরে এলো।

এসব বাউলদের গানে বেশিরভাগ কথাই আমি বুঝি না। কিন্তু তাদের যন্ত্র সঙ্গীতে কেমন যেন একটা উদাস করা ভাব আছে। যেই জিনিসটা আগে কোনোদিন করেছে কি না জানিনা, এখন আমার উপর বেশ ভালোই প্রতিক্রিয়া ফেলছে। কাজকর্ম সব বাদ দিয়ে বসে আছি হেলান দিয়ে। গান শুনছি না। গানে কোনো মনোযোগ নেই। কিন্তু তবুও কেমন যেন শূন্য একটা অনুভূতি হচ্ছে। Continue reading

জ্যোতির্বিদ কর্তৃক আম্মু জানিয়া আসিল, আমি নাকি প্রেমিক পুরুষ!

gemini মিথুন রাশি

সকালে আম্মু একটা কাজে এক জায়গায় গিয়েছিল। কোথায় গিয়েছিল সেটা না-ই বললাম। তো সেখানে নাকি হঠাৎই কোন এক নামকরা জ্যোতির্বিদও এসে উপস্থিত হয়েছে। ফাও পেয়ে আম্মুর সঙ্গের অন্যান্য মহিলারা নাকি তাকে জেঁকে ধরেছিল রাশিফল দেখে দিতে। আম্মুরও শখ জাগলো আমাদের তিন ভাই-বোনের রাশিফল জানার। তাই তিনিও লাইন দিয়ে বসে গেলেন।

জুনের পাঁচ হচ্ছে আমার বার্থডে। সেই হিসেবে আমার রাশি হচ্ছে মিথুন। জ্যোতির্বিদ সাহেব নাকি আম্মুকে আমার রাশি দেখে বললেন, আমি হচ্ছি প্রেমিক পুরুষ। আজকে রাতে আমি ঘরে ফেরার পর আম্মুর নিজ জবান সূত্রে আমি এই তথ্য জানলাম। 😐 Continue reading

আজ কলেজেঃ গার্লফ্রেন্ড ভার্সাস কম্পিউটার

beautiful girl

কলেজে টিফিনের পর দেখলাম বিশালদেহী আবির বড় বড় পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে। বুঝলাম, বকবকানির জন্য নতুন কিছু খুঁজে পেয়েছে পোলাটা। প্রতিদিনই তার একটা না একটা ডায়ালগ জোগাড় করে আনে আর সারা ক্লাস অস্থির করে ফেলে। হাঁটতে হাঁটতে যখন আমার দিকে কয়েকবার তাকালো, আমি রীতিমতো প্রমাদ গুণতে শুরু করলাম। সবকিছু যেন স্লো মোশন হয়ে গেল। মনে হলো ছাত্রদের কোলাহল অনেক দূর থেকে আসছে। আশেপাশে সব ঘোলা হয়ে গেছে। কেবল আবিরের শরীরটা স্পষ্ট। ও আসছে। ধীর অথচ দীর্ঘ পদক্ষেপে এসেই চলেছে। এ আসা যদি না শেষ হয়…. তাহলে অবশ্য ভালোই হতো।

যাই হোক, অবশেষে আবির ক্লাসরুমে এসে ঢুকলো। “দোস্ত, নিশিগো (ছদ্মনাম) ক্লাসের এক পোলায় তো মারাত্মক ছবি তুলে।” Continue reading

অ্যান্ড্রয়েড কথন ১৩০০+ হিটের পেছনের কথা

অ্যান্ড্রয়েড কথন লোগোগতকাল ৩০শে আগস্ট আমার জন্য মনে রাখার মতো একটা দিন গেলো। ২৯ তারিখ রাত থেকে ল্যাপটপে টানা বসেছিলাম বার্লিনের আইএফএ প্রদর্শনীর আগে হতে যাওয়া প্রেস কনফারেন্সগুলো নিয়ে রিপোর্ট লিখতে। সনি আর স্যামসাং নতুন কিছু পণ্য আনবে বলেছিল আর তাই বিশ্বের হাজার হাজার মানুষের মতো আমিও ফলো করছিলাম বেশ কয়েকটি বিদেশি সাইট। তবে বাংলায় তাৎক্ষণিকভাবে আপডেট দেয়ার জন্য আমার মতো আর কেউ ছিলো কি না সে ব্যাপারে আমার অবশ্য সন্দেহ আছে।

যাই হোক, সারারাত আর মোটামুটি সারাদিন খাটা-খাটনির ফলও পেলাম গতকালই। দিন শেষে সাইটের হিট ছিল ১,৩৫৭। তবে এখানে আরও অনেক তথ্য লুকানো আছে। যারা অ্যান্ড্রয়েড কথন নিয়ে আগ্রহী, তারা পুরো পোস্টটা পড়তে পারেন।

Continue reading

আচ্ছা, রাতে লেখালেখির ইচ্ছেটা বেড়ে যায় কেন বলুনতো?

writing

অনেকদিন ধরেই একটা বিষয় খেয়াল করছি। রাত যখন গভীর থেকে গভীরতম’র দিকে যায়, নিরবতা যখন তার ‘পিন-পতন’ স্তরে পৌঁছায়, তখন কেন যেন ‘কিছু একটা’ লেখার ইচ্ছে অনেক বেড়ে যায়। কাজের তাগিদে দিনে অনেক লেখালেখির কাজ করতে হয়। ইদানীং সেটা পরীক্ষার কারণে কমে আসলেও বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেখালেখিটা ধরে রেখেছি। কিন্তু রাতের লেখার ইচ্ছেটা সেগুলোর সঙ্গে ঠিক যেন খাপ খায় না। এই যেমন এখন কিছু একটা লিখতে খুব ইচ্ছে করছে। কিন্তু যেসব সাইটে কাজ করি, সেগুলোয় লেখার পাতা খুললে লেখার আগ্রহটা কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ এই যে এখানে লিখে চলেছি এখন, লেখার আগ্রহটা কিন্তু ঠিকই রয়ে গেছে।

এই বিষয়ে আমার একটা থিওরি আছে। সেটা হলো যে কোনো কাজই যখন “কাজ” হিসেবে করতে হয়, তখন তার প্রতি আগ্রহ কমে যায়। কেউ ছবি তুলতে ভালোবাসলে তাকে যদি ছবি তোলার “কাজ” দেয়া হয়, তখন তিনি অস্বীকার করতে পারবেন না যে তিনি সেই কাজে “আগ্রহ” হারিয়ে ফেলেন খুব সহজেই। যারা কাজের মধ্যেও আগ্রহ ধরে রাখতে পারেন, যেই কাজটা বেশ কঠিন, কেবল তারাই সফল হতে পারেন।

যাই হোক, সফলতার কথা পরে হবে। আসল কথা হলো, মাঝরাতে কী লিখতে ইচ্ছে করে? এটা কি কেবল আমার, নাকি আরো অনেকেরই? এক সময় যখন ইন্টারনেট নামক বস্তুটি ছিল না, মানুষ যখন ডায়েরিকে সবচেয়ে কাছের বস্তু বলে ভাবতো, যখন ডায়েরির সঙ্গে জীবনের একান্ত গোপন কথাগুলোও ভাগাভাগি করে নিতো, তখন তারা কী রাতেই লিখতো?

আমি অন্তত এ যাবৎ যাদের চিনি, তাদের মধ্যে যারা ডায়েরি লিখতো বা এখনো লিখে, তারা নাকি রাতেই ডায়েরিটা লিখে। তাদের এই ডায়েরি রাতে লেখার সঙ্গে কি আমার রাতে “কিছু একটা” লেখার কোনো সম্পর্ক আছে? তারা রাতে ডায়েরি লিখেন কি দিনের শেষের কথাগুলো লিখে রাখতে, রাতেই একমাত্র সময় পান বলে, নাকি তাদের মধ্যেও লেখার প্রবল ইচ্ছেটা রাতেই জাগ্রত হয়ে ওঠে বলে?

বলা মুশকিল। আমার যেই রাতে লেখার ইচ্ছেটা জেগে ওঠে, সেটা কি তাদের সেই ডায়েরি লেখার ইচ্ছের মতোই? এমন কেউ কি আছেন যাদের আমার মতোই রাতের নিস্তব্ধতায় লেখার ইচ্ছেটা জেগে ওঠে? আপনারা কি বলতে পারবেন ঠিক কী লেখার ইচ্ছে হয়? আর কেনই বা সেটা রাতে হয়?

ঠিক এক বছর আগে এইদিন শুরু হয়েছিল কলেজ লাইফ

আজ থেকে ঠিক এক বছর আগের এই দিনে কলেজে ভর্তির জন্য গিয়েছিলাম। তারচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, সেদিনের আবহাওয়া ঠিক আজকের মতোই ছিল। আজ সকাল থেকেই যেমন টুপটাপ বৃষ্টি পড়ছে, সেদিনই ঠিক একইভাবে সকালে টুপটাপ বৃষ্টি পড়ছিল। তবে সেদিন বের হওয়ার সময় ইচ্ছে করেই ছাতা নেইনি। কারণ, তখন আকাশের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছিল আর বৃষ্টি আসবে না। ঠিক আজ সকালে যেমন মনে হয়েছে।

গত বছরের এই দিন বের হয়ে বেশ বিপদে পড়েছিলাম। কোনো বাসই পাচ্ছিলাম না। ভাবছিলাম ভর্তির দিন, দেরি হলে আবার কি না কি সমস্যায় পড়তে হয়। সিএনজি নেব ভাবছি এমন সময় ভাগ্যক্রমে একটা বাস পেয়ে যাই। তৃতীয়বারের মতো যাই কলেজে। প্রথমবার গিয়েছিলাম ফরম আনতে। দ্বিতীয়বার রেজাল্ট জানতে। আর সেবার ভর্তি হতে। তবে কলেজে ভর্তি হতে যে এতো কাঠ-খড় পোড়ানো লাগবে সেটা কে জানতো।

বাস থেকে মহাখালী ফ্লাইওভারের কাছে নামলাম। তখন একেবারে কাকভেজা বা বিড়াল-কুকুর ভেজা বৃষ্টি যেটাই বলেন হচ্ছিল। ফ্লাইওভার থেকে কলেজে পৌঁছতে পৌঁছতে ভিজে চুপসে গেলাম। শার্ট-প্যান্ট দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছিল। কলেজে পৌঁছে শাহীন হলে ঢুকেই পড়লাম আরেক বিপদে। এতোগুলো এসির মধ্যে মনে হলো যেন শীতকালে ডিপ ফ্রিজে ঢুকে পড়েছি। অবশেষে কলেজে ঢুকতে পারলাম প্রথমবারের মতো। Continue reading