আচ্ছা, রাতে লেখালেখির ইচ্ছেটা বেড়ে যায় কেন বলুনতো?

writing

অনেকদিন ধরেই একটা বিষয় খেয়াল করছি। রাত যখন গভীর থেকে গভীরতম’র দিকে যায়, নিরবতা যখন তার ‘পিন-পতন’ স্তরে পৌঁছায়, তখন কেন যেন ‘কিছু একটা’ লেখার ইচ্ছে অনেক বেড়ে যায়। কাজের তাগিদে দিনে অনেক লেখালেখির কাজ করতে হয়। ইদানীং সেটা পরীক্ষার কারণে কমে আসলেও বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেখালেখিটা ধরে রেখেছি। কিন্তু রাতের লেখার ইচ্ছেটা সেগুলোর সঙ্গে ঠিক যেন খাপ খায় না। এই যেমন এখন কিছু একটা লিখতে খুব ইচ্ছে করছে। কিন্তু যেসব সাইটে কাজ করি, সেগুলোয় লেখার পাতা খুললে লেখার আগ্রহটা কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ এই যে এখানে লিখে চলেছি এখন, লেখার আগ্রহটা কিন্তু ঠিকই রয়ে গেছে।

এই বিষয়ে আমার একটা থিওরি আছে। সেটা হলো যে কোনো কাজই যখন “কাজ” হিসেবে করতে হয়, তখন তার প্রতি আগ্রহ কমে যায়। কেউ ছবি তুলতে ভালোবাসলে তাকে যদি ছবি তোলার “কাজ” দেয়া হয়, তখন তিনি অস্বীকার করতে পারবেন না যে তিনি সেই কাজে “আগ্রহ” হারিয়ে ফেলেন খুব সহজেই। যারা কাজের মধ্যেও আগ্রহ ধরে রাখতে পারেন, যেই কাজটা বেশ কঠিন, কেবল তারাই সফল হতে পারেন।

যাই হোক, সফলতার কথা পরে হবে। আসল কথা হলো, মাঝরাতে কী লিখতে ইচ্ছে করে? এটা কি কেবল আমার, নাকি আরো অনেকেরই? এক সময় যখন ইন্টারনেট নামক বস্তুটি ছিল না, মানুষ যখন ডায়েরিকে সবচেয়ে কাছের বস্তু বলে ভাবতো, যখন ডায়েরির সঙ্গে জীবনের একান্ত গোপন কথাগুলোও ভাগাভাগি করে নিতো, তখন তারা কী রাতেই লিখতো?

আমি অন্তত এ যাবৎ যাদের চিনি, তাদের মধ্যে যারা ডায়েরি লিখতো বা এখনো লিখে, তারা নাকি রাতেই ডায়েরিটা লিখে। তাদের এই ডায়েরি রাতে লেখার সঙ্গে কি আমার রাতে “কিছু একটা” লেখার কোনো সম্পর্ক আছে? তারা রাতে ডায়েরি লিখেন কি দিনের শেষের কথাগুলো লিখে রাখতে, রাতেই একমাত্র সময় পান বলে, নাকি তাদের মধ্যেও লেখার প্রবল ইচ্ছেটা রাতেই জাগ্রত হয়ে ওঠে বলে?

বলা মুশকিল। আমার যেই রাতে লেখার ইচ্ছেটা জেগে ওঠে, সেটা কি তাদের সেই ডায়েরি লেখার ইচ্ছের মতোই? এমন কেউ কি আছেন যাদের আমার মতোই রাতের নিস্তব্ধতায় লেখার ইচ্ছেটা জেগে ওঠে? আপনারা কি বলতে পারবেন ঠিক কী লেখার ইচ্ছে হয়? আর কেনই বা সেটা রাতে হয়?

এক ঝড়ো সন্ধ্যায় দুই চাকার গল্প

(পোস্টটি গতকাল লেখা হয়েছিলো। কিন্তু রাত অনেক হয়ে যাওয়ায় বাংলায় আর লেখার সময় পাইনি। ভালোই হলো এখন শান্তিতে লেখা যাবে। ইংরেজি ব্লগের বিদেশি পাঠকরা তো মানুষ মহাখালি সিগনাল আর জাহাঙ্গীর গেইট চিনবে না, তাই ওগুলো ওখানে লেখা হয়নি। এখানে বিস্তারিত লেখা যাবে। 😀 )

বৃষ্টিতে সাইকেল
কয়েক সপ্তাহের টানা অস্বাভাবিক গরমে মনে হচ্ছিল ফ্রিজে ঢুকে বসে থাকি। তাও গরমটা একটু সহ্য করা যেত যদি মাথার উপরে ফ্যানটা সারাদিন ঘুরতো। গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যেভাবে বিদ্যুৎঅলারা রাগ দেখানো শুরু করেছিলো, এতে আমরা সবাই যেন রীতিমতো কোনঠাসা হয়ে পড়েছিলাম।

বুধবার কলেজ শেষে অফিসে যাওয়ার কথা ছিল। মহাখালির বিডিনিউজ অফিসের কথা বলছি। কলেজ থেকে যেতে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট লাগে। কিন্তু মাথার উপর এতো গরম নিয়ে এতোটুকু রাস্তা হাঁটার ধৈর্য্য হলো না। তাই লেগুনায় বসে বাসায় চলে এলাম। ভাবলাম, বিকেলের দিকে সূর্যের তাপ একটু কমলে আবার আসবো।

কিন্তু সূর্যের তাপ কমার তো কোনো লক্ষণই নেই। এদিকে অফিসে যাওয়াও দরকার ছিল। এদিকে অনেকদিন ধরে শখের সাইকেলটা পড়ে রয়েছে। নতুন সাইকেল চালানো শিখে যেটা টের পেয়েছি তা হলো নিয়মিত না চালালে অনেকদিন পর বের হলে সহজেই পা ব্যথা শুরু হয়। তাই বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঠিক করলাম যাই হোক অফিসে আজ যাবোই।

রাস্তায় বের হয়ে টের পেলাম কড়া রোদের মধ্যেও সুন্দর একটা বাতাস আছে যেটা বাসায় বসে টের পাওয়া যায় না। যদিও বাতাস খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। ঘেমেছি গোসলের মতো। 😐 তবুও সাইকেল চালানোয় খুব একটা কষ্ট হয়নি। মিরপুর থেকে টেকনিক্যাল-শ্যামলী ঘুরে মহাখালী গেলাম ৪৫ মিনিটে। দূরত্ব ১০ কিলোমিটার। আমি অঙ্কে খুবই কাঁচা তাই এক ভাইয়াকে দিয়ে হিসেব কষালাম। ঘণ্টায় ১৩.৩ কিলোমিটার ছিল গড় গতি। খুব একটা খারাপ না। অবশ্য ওনাদের ২৫-৩০ কিমি/ঘণ্টার কথা শুনলে বড়ই নগণ্য মনে হয়। 😦

যাই হোক, অফিসে পৌঁছে আর ভেতরে ঢুকলাম না। ঘেমে যেই অবস্থা হয়েছে, এই অবস্থায় অফিসে ঢুকলে সবাই ভাববে ইমার্জেন্সি। তাই একটা দোকান থেকে এক বোতল ঠাণ্ডা পানি নিয়ে মুখ ধোয়ার ব্যবস্থা করলাম। সাইকেল চালাতো কোনো কষ্ট হলো না। বাতাসও ছিল অনেক। প্রায়ই বাতাসের বেগে গতি ধীর করতে হচ্ছিল। এরপরও কেন এতো ঘামলাম বুঝলাম না। যাই হোক, অবশেষে ফুটপাথের পাশে লক করে অফিসের দিকে পা বাড়ালাম। মনে ভয়, যদি চুরি হয়। 😦 Continue reading

আজ বৃষ্টি ও চোখের জল দুই-ই ঝরেছে অঝোরে

কাছের মানুষগুলোর একটি কমন নেচার হচ্ছে তারা কষ্ট দিবে। এই কাছের মানুষটা অনেকভাবেই কাছের হতে পারে। হতে পারে সে এমন একটা বন্ধু যার সাথে জীবনের খুটিনাটি সব শেয়ার করা হয়, অথবা সে হতে পারে ভালোবাসার মানুষ, পরিবারের আপন কেউ, কিংবা নিতান্তই ছোটবেলার বন্ধু। কাছের মানুষ হলে সে কষ্ট দিবেই। আমি ভেবেচিন্তে বের করার চেষ্টা করেছিলাম কাছের মানুষগুলো কষ্ট দেয় কেন। কিন্তু অনেক জ্ঞানীগুণী লোকই হয়তো বের করতে পারেননি কাছের মানুষ কেন কষ্ট দেয়। আর আমার স্বল্প জ্ঞানে তা যে সম্ভব হবে না সেটা তো জানা কথাই।

একবার মনে হলো কাছের মানুষগুলো কষ্ট দেয় কারণ তারা আমাদের উপর তাদের অধিকারটুকু আদায় করে নেয়। তারা কাছের মানুষ, তাদের কারণে জীবনে কিছুটা সুখ-শান্তি উপলব্ধি করা যায়। তাদের কারণে মনে শান্তি আসে। অনেক বিপদ-আপদে তাদের পাশে পাওয়া যায়। কাঁধে তাদের হাত পাওয়া যায়। আরও পাওয়া যায় তাদের আন্তরিক সহযোগিতা। এতকিছুর বিনিময়ে একটু কষ্ট বোধহয় আমাদের প্রাপ্যই হয়ে যায়। এই প্রাপ্যটা দিতেই তারা কষ্ট দেয়।
Continue reading

আপনার প্রিয় খাবার কী কী? (প্রথম পর্বঃ ভর্তা)

খাবার-দাবার সবাই পছন্দ করে। :D :D এমনকি আপনার অফিসের সবচেয়ে অপছন্দের মানুষ বদমেজাজী বসটা পর্যন্ত খেতে পছন্দ করে। আর কোন ব্লগারের কী কী খাবার পছন্দ তা জানতেই আজকের এই পোস্ট। এতে করে আমরা সবাই লাভবান হবো দু্ইভাবে। এক. নিজের পছন্দগুলো শেয়ার করতে পারবো। দুই. নতুন খাবারের কথাও জানতে পারবো।

তাহলে শুরু করা যাক। আজ আমরা জানবো আপনার ও আমার প্রিয় ভর্তাগুলো। ;)

আগেই বলে নিই খাবার-দাবারে আমার অভিজ্ঞতা কমই। খুব কম খাবারই খেয়েছি (বেশিরভাগ ঢাকার মানুষের তুলনায়)। তাই স্বল্প স্বাদ ভাণ্ডার থেকে এই তালিকা। :#) :P

প্রথমেই আমার লিস্ট। বলা বাহুল্য, লিস্টটি সাজানো হয়েছে ‘in no particular order’। অর্থাৎ, যখন যেটা মনে এসেছে তখন সেটা লিখে গেছি।

১. আলু ভর্তা
ভর্তার রাজা বলা যায় কি না জানি না। তবে আলু ভর্তা আমার পছন্দ। খুবই কমন এক প্রকার ভর্তা এই আলু ভর্তা। বানানোও সোজা। আমি বানালে পেট ভরার জন্য খেতে পারবেন আর আম্মু বানালে পেট ভরা থাকলেও খেতে চাইবেন এই যা পার্থক্য। /:) /:)
Continue reading

স্মৃতির পাতা হাতড়ে – সূচনা

স্মৃতি। মানুষের জীবনের এক আশ্চর্য বাস্তবতা। প্রত্যেক মানুষেরই স্মৃতির পাতায় জমে থাকে অনেক না বলা কথা। অনেক ভালো লাগা, অনেক কষ্ট-বেদনা, দুঃখ-যন্ত্রণা সবসময়ই স্থান করে নেয় প্রতিটি মানুষের স্মৃতির পাতা। সবারই রয়েছে জীবনভর নানারকম স্মৃতি। জীবনের যে কোনো বয়সে এসে স্মৃতির পাতা হাতড়ে বের করা যায় এমন অনেক মুহুর্ত যা এক মূহুর্তের জন্য মুখে এক চিলতে হাসির কারণ হয়ে যায়। আবার এমন অনেক মূহুর্ত স্মৃতির পাতায় বন্দী হয়ে রয় যেগুলো নিমিষেই হাসিখুশি মনটাকে করে দিতে পারে বর্ষার মেঘের মতোই মলিন।

প্রত্যেকের স্মৃতিগুলোই যেন বৈচিত্র্যময়। একজনের জীবন কীভাবে কেটেছে তা হয়তো আরেকজন দেখতে পারে, তার জীবনী লিখতে পারে, কিন্তু কারো স্মৃতির পাতা কেউ লিখতে পারে না। স্মৃতির পাতা যেন প্রতিটি মানুষের পরম আপন। মানুষ নিজে চাইলেও যেন তার স্মৃতির পাতাকে হুবহু ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। প্রকৃতি তাকে সেই শক্তি দেয়নি। সে কেবল তার স্মৃতির পাতা সম্পর্কে অন্যকে কিছুটা ধারণা দিতে পারে মাত্র। স্মৃতি, সে যে শুধু তারই একান্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তি।
Continue reading

[দৈনিক প্যাঁচাল -২] বহুল প্রতীক্ষিত একটি দিন আজ

আজ বহুল প্রতীক্ষিত একটি দিন। গত নভেম্বর থেকেই মনে হচ্ছিল কবে আজকের দিনটা আসবে। গত ডিসেম্বরে তো যেন সহ্যই হচ্ছিল না এই দিনটা কেন আসছে না। জানুয়ারিতে তো অপেক্ষা করারও সময় পাইনি। আর ফেব্রুয়ারিতে? পুরো মাসজুড়েই যেন একটা টাইম মেশিনের অভাব খুব ফিল করছিলাম।

এমনকি গতকাল ৯ই মার্চও মনে হচ্ছিল টাইম মেশিনে করে আজকের দিনটায় চলে আসতে।

আজ মার্চের ১০ তারিখ। এসএসসি পরীক্ষা শেষ। :D

মনে পড়ে ফেব্রুয়ারির এক তারিখ মিরপুর এক নম্বর দিয়ে হেঁটে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় অনেক টেনশনের মধ্যে একটা চিন্তা ছিল কবে আসবে ১০ তারিখ বৃহস্পতিবার। কবে শেষ হবে পরীক্ষা।

আজ সকালে বাতাসময় আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে যাবার সময় কেবলই সেদিনের কথা মনে পড়ছিল। স্কুলে দুই বছর স্যাররা কত ভয়ই না দেখিয়েছে এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে। অথচ বাস্তবে এতোটা ভয়ের কিছু ছিল না আসলে পরীক্ষাটা। আমাদের স্কুলের আর দশটা পরীক্ষার মতোই সাদামাটা একটা পরীক্ষা। বাড়তি ছিল কেবল কিছু আনুষ্ঠানিকতা।

গতকাল কে যেন ফেসবুকে জিজ্ঞেস করেছিল আজ আমার কী পরীক্ষা। আমি বললাম, পিসি। :D তিনি অনেকবার জিজ্ঞেস করলেন। আমি একই উত্তর দিলাম। পরে মেজাজ খারাপ হয়ে আর কথা বলেননি।

কিন্তু আমি তো সত্যিই বলেছিলাম। X((

আজ সকালবেলা পরীক্ষা ছিল আমার। ঐচ্ছিক বিষয়; কম্পিউটার। কী কারণে যেন কম্পিউটার ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে নিতে চায় না পোলাপান। সব কৃষি নিয়ে মাথা খাটায়। যাই হোক, আমার কাছে কম্পিউটার সহজ মনে হয় (সংখ্যাতত্ত্বের অধ্যায়টি ছাড়া; আমি ঐটার কিছুই বুঝি না :(( )।

পরীক্ষার প্রশ্ন মোটামুটি সহজই হয়েছে বলা যায়। আজও সহজই হয়েছে। পরীক্ষা শেষে মাঠে এসে দেখি দশ-বারোজন শিক্ষার্থী মাত্র। পুরো স্কুল যেন গড়ের মাঠ! :P মজাই লাগলো।

অনেকদিন পর মাথা থেকে একটা বোঝা গেল যেন। এবার দু’মাস মজা করে নেই। পরীক্ষার রেজাল্ট দিলেই মজা ছুটে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। :| :|

একটি নকিয়া সেট নিখোঁজ এবং..অতঃপর

nokia

প্রথম প্রকাশঃ Death of Nokia 5130 – The Mystery of Missing Mobile

নকিয়া সেটটাকে খুব মিস করি। নকিয়ার ৫১৩০ সেটটা প্রিয় ছিল। ইন্টারনেট ব্যবহার করা ছাড়াও টুকিটাকি ফটোগ্রাফিও করতাম মোবাইলের ছোট ক্যামেরাটা দিয়ে। কিন্তু সেদিন ঘুম থেকে উঠে সেটটা যেন হাওয়ায় গায়েব হয়ে গেল।

ফ্রেন্ডের ফোনে ঘুম ভাঙলো। ভাইব্রেশন দেয়া ছিল। ফোন সাইলেন্ট করা। ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুতে বাথরুমে গেলাম। ফিরে দেখি সেট নেই। নেই তো নেই-ই। পুরো রুমের কোথাও নেই। তারপরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য শোকেসের উপর, ভেতরে, সব জায়গায় দেখলাম। কম্বল নামিয়ে ঝাড়লাম। কোথাও নেই। অন্য রুমে যাইনি, তাই অন্য রুমে সেট যাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। তবুও খুঁজলাম। সামনে আম্মুকে পেয়ে জানালাম সেট না পাওয়ার কথা। আম্মু ভাবলেশহীন কণ্ঠে বলল, যাবে কই? ঘরেই আছে। সকাল সকাল তো আর চোর আসে নাই।

আম্মুর হালকা ঝাড়ি মার্কা কথা শুনে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। সেট খুঁজতে শুরু করলাম। টর্চ লাইট দিয়ে শোকেস, আলমারির নিচে খুঁজলাম। সকাল সকাল এ কি ঝামেলা।

ততক্ষণে আম্মুর মোবাইল দিয়ে অনেকবার ফোন দিয়েছি। ভাইব্রেশন শুনিনি কোথাও। কী যন্ত্রণা! আজ ভাইব্রেশন দিলাম, আর আজই এমনটা হলো।

Continue reading