মোজিলা সামিট ২০১৩: ওপেন ইন্টারনেটের লক্ষ্যে মোজিলার অবস্থান ও ভবিষ্যতের ফায়ারফক্স (২য় দিন)

এই পোস্টটি তিনটি ধারাবাহিক পোস্টের দ্বিতীয় পর্ব। যুক্তরাষ্ট্রের সান্তা ক্লারায় চলমান মোজিলা সামিট ২০১৩ থেকে বিভিন্ন হাইলাইটগুলো নিয়ে আজকের এই পোস্ট। সিরিজের প্রথম পোস্টটি দেখুন এখানে: মোজিলা সামিট ২০১৩: মোজিলা ও ফায়ারফক্স ওএস-এর ভবিষ্যত (১ম দিন)

মজিলা ম্যাগাজিন

মোজিলা সামিট ২০১৩-এর দ্বিতীয় দিনের শুরুর প্রেজেন্টেশনগুলো ছিল মোজিলা কীভাবে একটি উন্মুক্ত ইন্টারনেটের লক্ষ্যে এগোচ্ছে এবং ফায়ারফক্স ব্রাউজার ও ফায়ারফক্স ওএস এর জন্য ভবিষ্যতে কী অপেক্ষা করছে। যেমনটা উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, মোজিলার চোখে এই বিষয়গুলো ওপেন ইন্টারনেটের সাইন বা চিহ্ন। তবে ওপেন ইন্টারনেটের আগে মোজিলা দেখছে আসলে কত শতাংশ মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে পরিচিত বা ইন্টারনেটকে তাদের জীবনে উন্নয়ন আনার জন্য কাজ করছে। Continue reading

মোজিলা সামিট ২০১৩: মোজিলা ও ফায়ারফক্স ওএস-এর ভবিষ্যত (১ম দিন)

মোজিলা সামিট ২০১৩

মোজিলা সামিট ২০১৩

বেশ কয়েক মাসের ব্যাপক প্রস্তুতির পর অবশেষে বিশ্বব্যাপী মোজিলিয়ানদের নিয়ে তিনটি শহরজুড়ে পর্দা উঠেছে বহুল-আলোচিত মোজিলা সামিট ২০১৩-এর। বেলজিয়ামের ব্রাসেলস, কানাডার টরোন্টো এবং যুক্তরাষ্ট্রের সান্তা ক্লারায় ৪ঠা অক্টোবর স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনী ঘোষণা দেয়া হয় মোজিলা সামিট ২০১৩-এর। সুবিশাল এই তিনদিনব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধনীতেই মোজিলা ও মোজিলিয়ানদের ভবিষ্যত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়া হয়েছে।

মোজিলা বাংলাদেশ টিম এবারের মোজিলা সামিট ২০১৩-এর সান্তা ক্লারা ভেনুতে অংশ নেয়ার সুযোগ লাভ করেছে। আর সেই টিমের হয়েই মোজিলা বাংলাদেশের অন্যান্য অবদানকারী এবং আগ্রহীদের মোজিলা সামিটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হাইলাইট করার জন্যই আজকের এই পোস্ট।

হাইলাইটগুলো প্রকাশিত হচ্ছে দি মজিলা ম্যাগাজিন-এ।

Continue reading

অ্যান্ড্রয়েড কথন হ্যাক ও এ নিয়ে আমার কিছু কথা

অ্যান্ড্রয়েড কথনঅ্যান্ড্রয়েড কথনের সূচনা নিয়ে আগেই একবার লিখেছিলাম। আজ সন্ধ্যায় সাইটটি হ্যাক হয়ে যাবার পর মনে হলো পাঠকদের উদ্দেশ্যে আমার কিছু লেখা উচিৎ। এছাড়াও ব্যাকআপ ফাইল আপলোড হতে যে সময় নিচ্ছে ততক্ষণে ক্ষোভ-দুঃখ ঝাড়ার মতো একটাই উপায় আছে আমার কাছে, লেখা।

সূচনা

অ্যান্ড্রয়েড কথনের যাত্রা শুরু হয় একরকম হঠাৎ করেই। আমার প্রথম অ্যান্ড্রয়েড কেনার প্রায় কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মনে হলো অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে ডেডিকেটেড কোনো সাইট থাকা প্রয়োজন। ইতোমধ্যেই অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারে অনেক লেখা আছে, কিন্তু ডেডিকেটেড কোনো সাইট নেই।

এরচেয়েও বড় কারণ ছিল, লেখালেখি বা ব্লগিং-এর প্রতি আমার একটা নেশা আছে। অ্যান্ড্রয়েড হাতে পাবার পরই মনে হয়েছে এটা নিয়ে অনেক লেখালেখি করা যাবে। আর লেখক/ব্লগার মাত্রই জানেন যে, সবাই এই আশা করে যে তার লেখা মানুষ পড়বে।

যাই হোক, অনেকটা চুপিসারেই অ্যান্ড্রয়েড কথনের যাত্রা শুরু হয়। ফেসবুকে কেবল আমার বন্ধুতালিকায় থাকা ভাইয়ারাই প্রথমে সাইটটি দেখেন ও এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। ফেসবুকের মাধ্যমেই মূলত অ্যান্ড্রয়েড কথন মাত্র ৩ মাসে দেড় লাখেরও বেশি পেজভিউ পেতে সক্ষম হয়। বর্তমানেও অ্যান্ড্রয়েড কথনের প্রধান দুই ট্রাফিক সোর্স হলো ফেসবুক আর গুগল।

সময় পেরোতে থাকে। আমিও বিপুল উদ্যমে লিখতে থাকি। কিছু কিছু ভাইয়া পরামর্শ দেন বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতেও লেখার। এতে করে অ্যাডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট ইত্যাদি মাধ্যম থেকে আয়-রোজগার করা যাবে। ইংরেজিতে লিখতে আমার কোনো বাধা নেই। কিন্তু লেখার চেয়ে মার্কেটিং, এসইও ইত্যাদি কাজে বেশি সময় কাটাতে হবে। এছাড়াও ইংরেজি সাইট দাঁড় করানোও বেশ কঠিন। অন্যদিকে অ্যান্ড্রয়েড কথন মোটামুটি পরিচিতি পেয়ে গেছে। মানুষ নিয়মিত অ্যান্ড্রয়েড কথন পড়ছেন। তৈরি কমিউনিটি ছেড়ে অন্যদিকে যেতে সায় দিচ্ছিল না মন। তাছাড়া আমার সামনে পরীক্ষা রেখে দু’টো সাইট চালানোও সম্ভব না। Continue reading

অ্যান্ড্রয়েড কথন ১৩০০+ হিটের পেছনের কথা

অ্যান্ড্রয়েড কথন লোগোগতকাল ৩০শে আগস্ট আমার জন্য মনে রাখার মতো একটা দিন গেলো। ২৯ তারিখ রাত থেকে ল্যাপটপে টানা বসেছিলাম বার্লিনের আইএফএ প্রদর্শনীর আগে হতে যাওয়া প্রেস কনফারেন্সগুলো নিয়ে রিপোর্ট লিখতে। সনি আর স্যামসাং নতুন কিছু পণ্য আনবে বলেছিল আর তাই বিশ্বের হাজার হাজার মানুষের মতো আমিও ফলো করছিলাম বেশ কয়েকটি বিদেশি সাইট। তবে বাংলায় তাৎক্ষণিকভাবে আপডেট দেয়ার জন্য আমার মতো আর কেউ ছিলো কি না সে ব্যাপারে আমার অবশ্য সন্দেহ আছে।

যাই হোক, সারারাত আর মোটামুটি সারাদিন খাটা-খাটনির ফলও পেলাম গতকালই। দিন শেষে সাইটের হিট ছিল ১,৩৫৭। তবে এখানে আরও অনেক তথ্য লুকানো আছে। যারা অ্যান্ড্রয়েড কথন নিয়ে আগ্রহী, তারা পুরো পোস্টটা পড়তে পারেন।

Continue reading

ভাগ্য বদলাতে পারে হেডফোন B-) (পরীক্ষিত ;) )

মাস কয়েক আগে নতুন একটা সেট কিনেছি । সেটটার আসল বৈশিষ্ট্য সেট নিজে নয়, বরং এর সঙ্গে থাকা হেডফোনটি। সত্যিই দারুণ মিউজিক এক্সপেরিয়েন্স দেয় হেডফোনটা। তাই কেনার পর ভাবলাম, এখন আর কোথাও বিরক্ত হয়ে বসে থাকা লাগবে না। যখন কোথাও অপেক্ষা করতে হবে, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবে হবে, হেডফোন লাগিয়ে গান শুনতে থাকবো। গান বলতে অবশ্য মেমোরি কার্ডের গান বোঝাচ্ছি। অনেক চেষ্টা করেও এফএম রেডিওগুলো শোনার ধৈর্য্য তৈরি করতে পারেনি। যদি কোনোদিন এমন এফএম স্টেশন বের হয় যেখানে আরজে বলে কিছু থাকবে না তাহলে সেই স্টেশন শুনবো।

গান শুনে আমি সময় কাটাতে পারি ভালো। যদিও আমার গানের কালেকশন খুবই অল্প, তবুও এর প্রত্যেকটা গানের সঙ্গেই কিছু না কিছু স্মৃতি জড়িয়ে আছে। কোনোটা নস্টালজিক হওয়ার মতো (সবচেয়ে বেশি নস্টালজিক মিউজিক হচ্ছে গডফাদার এর থিম। এ নিয়ে পরে আরেকটা পোস্ট করবো ভাবছি।), কোনোটা মজার কোনো মূহুর্ত মনে করিয়ে দেয়ার মতো ইত্যাদি। তাই নতুন হেডফোন পেয়ে বেশ খুশিই হয়েছিলাম।
Continue reading

কুমারীত্বের বিনিময়েও আইফোন চাই!

কাল রাতে বিডিনিউজে নিচের নিউজটা লেখার সময় ভাবছিলাম, মেয়েদের তো ভালোই। বাণিজ্য করার মতো কিছু আছে। আমরা ছেলেরাই হলাম হতভাগা। :(( :(( :(( :(( :(( :P :P :P

কুমারীত্বের বিনিময়েও আইফোন চাই

অবশ্য একেবারে হতভাগা নই। কিডনি তো আছে। :D চাইনিজ ঐ ছেলে কিডনি বিক্রি করে আইপ্যাড ২ ছাড়াও ল্যাপটপ (সম্ভবত ম্যাকবুক) কিনেছিল। আইডিয়া খারাপ না, তাই না? জীবনে আছে কী! /:) /:) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_49.gif&quot; alt=":- মৃত্যু তো আসবেই দু’দিন আগে বা পরে। তার চেয়ে শখের জিনিসগুলো ব্যবহার করে সাধ পূরণ করে নেয়াই তো মনে হয় ভালো। :D:D

দ্রষ্টব্যঃ ছবির মেয়েটা সেই চায়নিজ মেয়ে নয়। :D:P

স্পিড যখন ১ এমবিপিএস : ইন্টারনেটের স্বর্ণযুগে স্বাগতম!

প্রথম যখন বাংলালায়ন নিই, তখন মহা আনন্দে ছিলাম। ২৫৬ কেবিপিএস গতির লাইনে একটু উঠানামা করলেও গড়ে ৩০ কিলোবাইট/সেকেন্ড থাকতো। মাত্র কয়েকমাস আগের কথা। তখন ৩০ কিলোবাইট/সেকেন্ডই যেন স্বপ্নীল ইন্টারনেট স্পিড ছিল। 8-| 8-| মহাখুশিতে ব্রাউজ ও ডাউনলোড করতে থাকলাম। সব মিলিয়ে প্রথম মাসের ডাউনলোড ছিল প্রায় ১৫ গিগাবাইট। দ্বিতীয় মাসের মাথায় এমন ডাউনলোড দেখেই বাংলালায়ন স্পিড কমিয়ে দিল। কী আর করা! ডাউনলোড কম করতে থাকলাম।

যাই হোক, পরবর্তীতে ল্যাপটপ কেনার সময় কিউবি শাটল মডেম ফ্রি পেলাম। সেটায় স্পিড ছিল ৫১২ কেবিপিএস। যেহেতু আমার কাছে অলরেডি আনলিমিটেড ছিল, তাই ১ গিগাবাইটই ১ মাস শেষে থেকে যেত। তাই প্রিপেইডে সমস্যা হচ্ছিল না। কিউবি ইউজ করি কেবল বাইরে গেলে এবং কারেন্ট না থাকলে। ;)

কিছুদিন আগে কিউবি স্পিড ডাবল করে দিল। সেই সুবাদে ঘরে এখন ১ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট! বিশ্বাসই করা যায় না। এই তো সেদিন বিশ্বাসই হতো না যে কখনো বাংলাদেশে ১ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট পাবো; তাও ঘরে বসে। অফিস-আদালতের হিসাব ভিন্ন। অথচ আজ…

কিউবি ঠিকই বলে, Absolute power brings out the monster in us. আমরা সবাই এখন স্পিড হাঙরি হয়ে গেছি। ৩২ কিলোবাইট/সেকেন্ড ভালো লাগছে না। সবার ৬৪ চাই। আর কিউবির এই ঐতিহাসিক ঘটনায় হঠাৎই যেন বাংলালায়নের খরচ দ্বিগুণ হয়ে গেল। ;) এখন বাংলালায়ন চাপের মধ্যে আছে। আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিড দ্বিগুণ ঘোষণা না করলে ব্যবসা শেষ। :P

১ এমবিপিএস-এর মজাই আলাদা। যদিও তেমন কোনো ডাউনলোড করতে পারছি না প্রিপেইড বলে। তাতে কী? ব্রাউজ তো করতে পারছি খুশি মনে। আর এদিকে বাংলালায়নও ৫১২ কেবিপিএস হলো বলে। :-*

চারিদিকে দেখি স্পিডের ছড়াছড়ি।

তবে এর ধন্যবাদটা প্রাপ্য কিউবির। তারা চাইলেই স্পিড আগের মতো রাখতে পারতো। ফলে বাংলালায়ন ও কিউবি মিলে গ্রাহকদের রক্ত চুষতে পারতো। কিউবিকে ধন্যবাদ। রক্ত চোষকদের রক্ত চোষার সুযোগটা বন্ধ করে দেয়ার জন্য। :)

একটা সময় ছিল বাংলাদেশে মোবাইলের স্বর্ণযুগ। তখন প্রথম মিনিটের পর ফ্রি কথা বলা যেত যতক্ষণ খুশি ততক্ষণ। এখন একেবারে ফ্রি না হলেও তুলনামূলক তো বেড়েছে? অতএব, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের স্বর্ণযুগে স্বাগতম। :D:D

পূর্বে ইংরেজিতে প্রকাশিতঃ এক্সপ্রেস ব্লগার্স

কিনিলাম ল্যাপটপ!

বহু কেচ্ছা-কাহিনীইন্সপাইরেশনের পরে অবশেষে একটা ল্যাপটপের সুযোগ্য মালিক হওয়া সম্ভবপর হলো। :D

উপরে যে দু’টো লিংক দেয়া আছে, দু’টোতেই ল্যাপটপ কেনা সম্পর্কিত যাবতীয় সব তথ্য আছে। পড়ে নিবেন। যারা আগের পোস্টে নানা রকম তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা।

৪২-৪৩ হাজার টাকা বাজেটে বর্তমান বাজারে ল্যাপটপ অহরহ হলেও আমি কিছু দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম। নেটবুক কিনতে চাইনি কারণ নেটবুকে অপটিক্যাল ড্রাইভ নেই এবং নেটবুকে মাল্টিটাস্কিং করা একটু ধীরগতির। তবে ব্যাটারি ব্যাকআপ বেশি হওয়ায় নেটবুকের প্রতি আকর্ষণ ছিল। আরেকটা কারণ ছিল নেটবুকগুলো বর্তমান বাজারে দেখতে অনেক সুন্দর। দেখলেই পছন্দ হয়।

গত ১০ই মার্চ এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চলে গেলাম ডিজিটাল এক্সপোতে। সমস্যায় পড়লাম, যেটাই পছন্দ হয়, সেটাই নেটবুক। আর আমার চাহিদা ছিল ১৩.৩” স্ক্রিন। কারণ, এতে ব্যাটারি কিছুটা কম টানে। কিন্তু মেলায় ১৩.৩” পেলাম না বললেই চলে। যেগুলো পাই একটাও পছন্দ হয় না। পরে তোশিবার একটা পেয়েছিলাম কিন্তু দাম কমায়ে সর্বনিম্ন আসলো ৫০ হাজার টাকা। কিনলাম না।

মেলায় ঢুকেই সনি ভায়ো পছন্দ হয়ে গেল। ৮৪ হাজার টাকার ল্যাপটপ বিক্রি করছে ৬৯ হাজার টাকায়। যারা ভায়ো কিনতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ ছিল মেলায়। তবে সবচেয়ে বেশি পছন্দ হয়েছিল ম্যাকবুক প্রো ১৩.৩”। সেটা কেনার স্বপ্ন দেখার বেশি কিছু করার নেই তাই ওটার দিকে আর নজর দিলাম না। :(
Continue reading

ব্লগিং করে জিতলাম ডিজিটাল ক্যামেরা : কিছু প্রশ্ন এবং একটি শিক্ষণীয় ঘটনা

প্রথমেই একটা গোপন কথা বলে দেই। কিছুদিন আগে আমার ল্যাপটপ কেনা নিয়ে লেখা পোস্টটি হয়তো অনেকেই লক্ষ্য করেছেন। যারা নানা রকম পরামর্শ ও তথ্য দিয়ে পোস্ট দিয়েছেন তাদের জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। এবারে গোপন কথাটা জানাই।

গত আগস্ট মাসে প্রযুক্তি বিষয়ক ম্যাগাজিন টেকনোলজি টুডে কর্তৃক প্রকাশিত নতুন ব্লগ সাইট টেকনোলজি টুডে ব্লগে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় এক মাসের সেরা পোস্ট লেখককে পুরস্কৃত করার ঘোষণা দেয়া হয়। মোট ১৬টি পুরস্কারের মধ্যে প্রথম পুরস্কার হচ্ছে একটি নেটবুক। দ্বিতীয় পুরস্কার ডিজিটাল ক্যামেরা। তৃতীয় পুরস্কার আইপড। তো আমি এমনিতেই লেখালেখি করে থাকি। উপরন্তু একটা ল্যাপটপের খুব অভাব বোধ করছিলাম। দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে লেখা শুরু করলাম। পুরস্কারই একমাত্র টার্গেট ছিল, এটা বলবো না। কারণ, টেক টুডে কর্তৃপক্ষের নজরে আসারও শখ ছিল। যদি তাদের ম্যাগাজিনে কিছু লেখা-টেখা দেয়া যায়। ;) আর পুরস্কারের আশাটা ছিল স্পিরিট।

যাই হোক, টানা একমাস অনেক লেখা পোস্ট করলাম। পরে কর্তৃপক্ষ মেয়াদ আরও একমাস বাড়িয়ে দিলো। তখন টিকে থাকা আমার জন্য বেশ কঠিন হয়ে যায় কারণ আমার এসএসসি সামনে ছিল। যাই হোক, তবুও প্রতিদিন সময় বের করে পোস্ট লিখতে থাকলাম। একসময় মেয়াদ শেষ হলো, এবং একমাস পর জানুয়ারির প্রথম দিন রেজাল্ট আসলো।
Continue reading

একটি নকিয়া সেট নিখোঁজ এবং..অতঃপর

nokia

প্রথম প্রকাশঃ Death of Nokia 5130 – The Mystery of Missing Mobile

নকিয়া সেটটাকে খুব মিস করি। নকিয়ার ৫১৩০ সেটটা প্রিয় ছিল। ইন্টারনেট ব্যবহার করা ছাড়াও টুকিটাকি ফটোগ্রাফিও করতাম মোবাইলের ছোট ক্যামেরাটা দিয়ে। কিন্তু সেদিন ঘুম থেকে উঠে সেটটা যেন হাওয়ায় গায়েব হয়ে গেল।

ফ্রেন্ডের ফোনে ঘুম ভাঙলো। ভাইব্রেশন দেয়া ছিল। ফোন সাইলেন্ট করা। ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুতে বাথরুমে গেলাম। ফিরে দেখি সেট নেই। নেই তো নেই-ই। পুরো রুমের কোথাও নেই। তারপরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য শোকেসের উপর, ভেতরে, সব জায়গায় দেখলাম। কম্বল নামিয়ে ঝাড়লাম। কোথাও নেই। অন্য রুমে যাইনি, তাই অন্য রুমে সেট যাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। তবুও খুঁজলাম। সামনে আম্মুকে পেয়ে জানালাম সেট না পাওয়ার কথা। আম্মু ভাবলেশহীন কণ্ঠে বলল, যাবে কই? ঘরেই আছে। সকাল সকাল তো আর চোর আসে নাই।

আম্মুর হালকা ঝাড়ি মার্কা কথা শুনে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। সেট খুঁজতে শুরু করলাম। টর্চ লাইট দিয়ে শোকেস, আলমারির নিচে খুঁজলাম। সকাল সকাল এ কি ঝামেলা।

ততক্ষণে আম্মুর মোবাইল দিয়ে অনেকবার ফোন দিয়েছি। ভাইব্রেশন শুনিনি কোথাও। কী যন্ত্রণা! আজ ভাইব্রেশন দিলাম, আর আজই এমনটা হলো।

Continue reading