পোস্টটি উবুন্টু ১০.০৪ লুসিড লিংক্স থেকে লেখা : আমার প্রাথমিক বিশ্লেষণ

ubuntu wallpaper

উবুন্টুতে পদার্পণ নিতান্ত শখের বশে। হঠাৎই একদিন মনে হলো শখের ডেস্কটপ কম্পিউটারে একটু নতুন স্বাদ যোগ করি। যেই কথা সেই কাজ। উবুন্টুর সাইট থেকে সিডির অর্ডার দিলাম। অর্ডার দেয়ার পর কিছুদিন উর্ধ্বশ্বাসে অপেক্ষায় রইলাম সিডি আসার, যদিও তিন সপ্তাহের আগে আসার কোনো সম্ভাবনাই ছিল না। এরই মধ্যে পরিকল্পনা হলো কক্সবাজার যাবার। ব্যস! ভুলে গেলাম উবুন্টুর কথা; ঘুরে এলাম কক্সবাজার । কক্সবাজার থেকে এসেই হাতে পড়লো উবুন্টু ৯.১০। সোজা ইন্সটল। কিছুদিন মাতামাতি। পরে সব শেষ।

এরমাঝেও প্রায়ই উবুন্টু ব্যবহার করেছি। বিশেষ করে যখন বারবার লোডশেডিংয়ের কারণে এক্সপি ডিস্টার্ব দিচ্ছিলো, তখন কাজ করতে উবুন্টু লাইভ সিডি দারুণ কাজে এসেছে। এই বৈশিষ্ট্যটার জন্য উবুন্টুর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। :)

যাই হোক, এবার মূল কথায় আসি। উবুন্টু লুসিড লিংক্স মুক্তি পেয়েছে শুনেই ডাউনলোড দিয়েছিলাম। আজ ডাউনলোড সম্পন্ন হলো। উবি দিয়ে ইন্সটল করলাম (কারণ পার্টিশনিংয়ের ঝামেলা পারি না :( )। এবারে আসি আমার মতামতে।

নিঃসন্দেহে উবুন্টু লুলি ( :D:D ) -তে গ্রাফিক্সে ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। এছাড়াও সফটওয়্যার সেন্টারও একটু ইমপ্রুভড দেখা যাচ্ছে। আসুন পয়েন্ট আকারে দেখা যাক লিনাক্স পরিবারের নতুন সংযোজন উবুন্টু ১০.০৪ লুলি-তে আমার কী ভালো লাগলো আর কী কী ভালো-মন্দ কোনোটাই লাগেনি।

ভালো লাগলো…

  • গ্রাফিক্স। বুটটাইমে অবশ্য তেমন কোনো উন্নতি পরিলক্ষিত হয়নি। কেননা ডুয়েল বুট হওয়ায় উবুন্টু সিলেক্ট করার পর কত সময় নেয় তা বোঝা যায় না। এছাড়া কারমিক কোয়ালাও একই সময় নিয়েছিল আমার পিসিতে।
  • মি মেনু; যেটা পর্দার উপরের ডান কোণায় পাওয়ার মেনুর সঙ্গে থাকে। বিভিন্ন চ্যাট সেবায় লগইন করার সুবিধা কারমিক কোয়ালায় থাকলেও, লুলি-তে এর ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। আমি এটার প্রেমে পড়ে গেছি। ইশ্! কোনোভাবে যদি এটাকে উইন্ডোজে নিতে পারতাম। :(

কেউ কোনো মেসেজ পাঠালেই তা পপ আপ হবে পর্দার উপরের ডান কোণায়।

  • ওয়ার্কস্পেস দু’টি থেকে বাড়িয়ে চারটি করা হয়েছে। তবে এটা নাকি আগের সংস্করণেও বাড়ানো-কমানো যেত বলে শুনেছি।
  • সফটওয়্যার সেন্টার। আগের চেয়ে সহজে সফটওয়্যার ইন্সটল করা যায় বলে মনে হয়।
  • সিডি/ডিভিডি বার্ন। এই কাজের জন্য ডিফল্ট একটা দারুণ কার্যকরী সফটওয়্যার দিয়েছে উবুন্টু লুলি। এই সফটওয়্যারটি আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। সহজ, দ্রুত ও ব্যবহারবান্ধব। ইমেজ/বুটেবল ডিস্কও তৈরি করা যায়। এছাড়াও ব্ল্যাঙ্ক ডিস্ক প্রবেশ করালেই কমান্ড উইন্ডো আসে যেখান থেকে আপনি সরাসরি বার্ন করতে পারবেন, সফটওয়্যার খুঁজে বের করার সময় বাঁচবে। 😉

  • (ফাও!) মিনিমাইজ/ম্যাক্সিমাইজ/ক্লোজ বাটনগুলো বাম পাশে নেয়া। অদূর ভবিষ্যতে ম্যাকে মুভ করার ইচ্ছে আছে। এগুলো থেকে তাড়াতাড়ি ক্লোজ/মিনিমাইজ করার অভ্যাসটা গড়ে উঠবে। ;)

যা ভালো লাগেনি…

  • এখনো মিডিয়া ফাইলগুলো চালাতে প্লাগইন-এর দরকার হয়। কোনো ফরম্যাটের মিডিয়া ফাইলই চালাতে পারে না উবুন্টু। আমার এটা চরম অপছন্দ। এভিআই, এফএলভি ইত্যাদি ফরম্যাটের ভিডিও উইন্ডোজও চালাতে পারেনা বাড়তি সফটওয়্যার ছাড়া (ব্যতিক্রমঃ উইন্ডোজ ৭)। কিন্তু অন্যান্য ফরম্যাটগুলো দিব্যি মিডিয়া প্লেয়ারে চলে। কিন্তু উবুন্টু এখনো প্লাগইন অথবা আলাদা সফটওয়্যার ইন্সটল না করলে চালানো যায় না।
  • (এখন পর্যন্ত এই পয়েন্টে আর কিছু পাইনি। পেলে সঙ্গে সঙ্গে যোগ করা হবে। ;) )

একটি সমস্যাঃ উবুন্টুতে বাংলা লেখা নিয়েই সমস্যায় আছি। অভ্র ইন্সটল করা গেলেও আমি “বিজয়/ইউনিবিজয়” মোড ছাড়া লিখতে পারি না। তাই এই সমস্যার কারণে স্থায়ীভাবে উবুন্টুতে থাকা সম্ভব হয় না।

একটি প্রত্যাশাঃ আমি বিশ্বাস করি, শিগগিরই উবুন্টুর এমন সংস্করণ বের হবে যাতে টার্মিনাল ব্যবহারের প্রয়োজনই পড়বে না। প্রতিটি রিলিজে উবুন্টু যেভাবে সহজ থেকে সহজতর হচ্ছে, এতে করে আমার মনে হয় এক সময় সাধারণ মানুষ উইন্ডোজ থেকে উবুন্টুকেই ভালোবাসবেন। তবে আমার মতে, মানুষকে উবুন্টুতে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে, তবে উইন্ডোজের বদনাম করে নয়। উইন্ডোজ থেকে এখনো বহুলাংশে পিছিয়ে আছে উবুন্টু। তাই উবুন্টু ব্যবহারে উৎসাহিত করুন তবে উইন্ডোজের সঙ্গে তুলনা করে নয়।

মনে রাখবেন, উবুন্টু একটি আলাদা সত্ত্বা। :D:D

সবাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। সুন্দর থাকুন।
আর লিনাক্সড থাকুন। B-)

সামহোয়্যার ইন ব্লগে প্রকাশিত

20 responses

  1. উবি দিয়ে চালালে বুট টাইমে সেরকম কিছু বোঝা যাবেনা, উবি হচ্ছে উবুন্টুর ট্রেইলার, পূর্ণদৈর্ঘ্য মুভি না!

    মিমেন্যু কারমিকে ছিলোনা, এটা ল্যুসিডেই প্রথম এসেছে।

    উবুন্টু তথা গ্নোমে ওয়ার্কস্পেস ২টা ৪টা না বরং ২০টা ৪০ টা ১০০টা – যতটা খুশি ততটা করা যায়।

    কোডেক উবুন্টুতে কখনোই সিডির সাথে দিবেনা, কোডেক দিলে উবুন্টু বিনাপয়সায় থাকবেনা। চোরাই উইন্ডোজ ব্যবহার করলে একটা ব্যাপার বোঝা যায়না, সেটা হল ৩০০ ডলারের উইন্ডোজের মধ্যে কোডেকের দামও যুক্ত থাকে। এই ব্যাপারটা নিয়ে জানতে এখানে দেখতে পারেন।

    উবুন্টুতে ইউনিজয় বাই ডিফল্ট থঅকে আলাদা ইন্সটল করতে হয়না! এখানে দেখুন।

    “শিগগিরই উবুন্টুর এমন সংস্করণ বের হবে যাতে টার্মিনাল ব্যবহারের প্রয়োজনই পড়বে না।”
    আপনি কখনো টার্মিনাল ব্যবহার করেননি, তাই জানেননা যে এটার কত্ত সুবিধা! এটা ব্যবহার করতে কোন গিক বা নার্ড হবার দরকার নেই, এমনকি প্রোগ্রামিং জানারও দরকার নেই। উইন্ডোজে ipconfig বা এই টাইপের কাজগুলো যখন করেন তখন কি কমান্ড বা প্রোগ্রামিং জানা দরকার? মোটেও না। উবুন্টুতেও সেই একই ব্যাপার। টার্মিনাল নিয়ে জানতে এখানে দেখুন।

    “উইন্ডোজ থেকে এখনো বহুলাংশে পিছিয়ে আছে উবুন্টু। ” ব্যাখ্যা করলে ভালো হত, বুঝতে পারতাম কোন কোন দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে! এই পিছিয়ে থাকাটা আমার চোখে পড়েনাই কিনা 😀

    • কারমিক কোয়ালাতে তো মি মেনুটা দেখেছিলাম। একই স্থানে ইউজারনেমটা ছিল যেটা ব্যবহার করে available, away ইত্যাদি স্ট্যাটাস সিলেক্ট করা যেত।

      উবি দিয়ে চালাতে হচ্ছে, কেননা harddisk partioning টা পারি না।

      ইউনিজয় পেয়েছি। তবে রেফ লিখতে পারছি না। 😦 যেমন টামর্িনাল টামির্নাল, কোনোভাবেই রেফটা ম এর উপর নিতে পারছি না। 😦

      একটা উদাহরণ দেই, উইন্ডোজ কিনে ব্যবহার করেন আর ক্র্যাকিং করেন, যেটাই করেন না কেন, উইন্ডোজ ইন্সটল করলেই আপনি মিডিয়া ফাইলগুলো প্লে করতে পারছেন। কোডেক থাকছে। কিন্তু উবুন্টু এখনো তা পারছে না। যে কারণেই হোক, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে উবুন্টু ব্যবহার করে মজা নেই।

    • “… উইন্ডোজ ইন্সটল করলেই আপনি মিডিয়া ফাইলগুলো প্লে করতে পারছেন। কোডেক থাকছে। কিন্তু উবুন্টু এখনো তা পারছে না…”

      কোডেকের জন্য ‘বহুলাংশে’ উবুন্টু পিছিয়ে আছে?? মানতে পারলামনা। উবুন্টুতে কেন কোডেক দেয়া সম্ভব না সেটা উপরের কমেন্টেই বলেছি, সংগে লিংকও দিয়েছি। উইন্ডোজেও তো নেট থেকে কোডেকসহ বহু কিছু ডাউনলোড করতে হয়। উবুন্টুতে যেই কোডেক থাকে (.ogg .ogv ইত্যাদি) উইন্ডোজে ডাউনলোড করা ছাড়া চালানো অসম্ভব। আর উবুন্টুর কোডেক অফলাইনেও ইন্সটল করা যায়। এখানে দেখুন। আর কোডেকসহ উবুন্টু ব্যাবহার করতে চাইলে লিনাক্স মিন্ট তো আছেই। উবুন্টুকে ঘষেমেজেই মিন্ট বানানো হয়েছে। মিন্টের চেহারাটাই শুধু ভিন্ন, ভিতরে পুরাই উবুন্টু সংগে কোডেক ফ্রি।

      • ভাই আলোচনা করছেন তা তর্ক করছেন ঠিক বুঝতে পারলাম না।

        আপনি বোধহয় আমার একটা শব্দ মিস করেছেন। আমি মন্তব্যে বলেই নিয়েছি “একটা উদাহরণ দেই।” উবুন্টু যদি পিছিয়ে না থাকতো তাহলে দুনিয়াব্যাপী উইন্ডোজের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি থাকতো না।

        মাইক্রোসফটকে এই একটা দিক থেকে হারানো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। উবুন্টু ফ্রি পাওয়া যায় এটার প্রশংসা করা যায়, কিন্তু জেনুইন উইন্ডোজ (ধরলাম টাকা দিয়েই কেনা হলো) এর সঙ্গে তুলনা করলে এখন পযন্ত উইন্ডোজই সেরা।

        • আপনি উবুন্টুতে কোডেক সমস্যার কথা বললেন, আমি ব্যাখ্যা করলাম কেন উবুন্টু কোডেক দিতে অপারগ। এটাকে তো আলোচনাই বলে! তর্ক করলাম কই??

          পাঁচ বছরবয়সী উবুন্টু’র চেয়ে পঁচিশ বছরবয়সী উইন্ডোজের ব্যবহারকারী বেশি হবে সেটাইতো স্বাভাবিক! তাছাড়া মাইক্রোসফটের সাথে সমস্ত হার্ডওয়্যার কম্পানির চুক্তি আছে যার ফলে পিসি কম্পানিগুলো তাদের পিসিতে উইন্ডোজ প্রিইন্সটল্ড অবস্থায় বিক্রি করতে একধরনের বাধ্য। সেখানে লোকজন নিজের গরজে উবুন্টু ডাউনলোড করে ব্যবহার করে। তাই ইউজারবেজ বেশি বলে উইন্ডোজ অনেক এগিয়ে আছে সেটা মানতে পারলামনা। আমি এগিয়ে-থাকা-পিছিয়ে-থাকা হিসেব করি টেকনিক্যাল বেসিসে। আপনি যখন বলেছিলেন যে উবুন্টু পিছিয়ে আছে তখন ভেবেছিলাম যে আপনি বলবেন কী কী টেকনিক্যাল বা ফিচারের কারনে উবুন্টু পিছিয়ে আছে।

          যাই হোক… বেশি কথা বলছিনা, আলোচনাকে তর্কে রূপ দেবার ইচ্ছা নেই। সময় থাকলে শুধু এখান থেকে ঘুরে আসুন। যদিও অনেক পুরানো আলোচনা কিন্তু তারপরও উবুন্টু ও উইন্ডোজ নিয়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন!

  2. বাই দ্যা ওয়ে, সিডি/ডিভিডি বার্নার এবারই প্রথম না, আরো আগে থেকেই ছিল।

    তাছাড়া, উইন্ডো কন্ট্রোল বাটন বাম পাশে নেবার কারণও আছে, কারণ সামনের রিলিজে ডানপাশে নতুন জিনিস যুক্ত হতে যাচ্ছে।

    “তাই উবুন্টু ব্যবহারে উৎসাহিত করুন তবে উইন্ডোজের সঙ্গে তুলনা করে নয়।”
    তুলনাতো চলেই আসবে। যেমন উইন্ডোজ ভাইরাসের আখড়া উবুন্টুতে ভাইরাস নাই, উইন্ডোজে মি মেন্যু নাই, উইন্ডোজ ৭ এর যেই রূপ দেখে মানুষজন মোহিত হচ্ছে উবুন্টু তথা লিনাক্স দুনিয়ায় সেটা বহু আগে থেকেই আছে (কুবুন্টু দ্রষ্টব্য), উইন্ডোজে কম্পিজ নাই, উবুন্টুর গেডিটের মত কেন কিছু উইন্ডোজে নাই, বাংলা লিখতে উবুন্টুতে কিছুই করতে হয়ানা- ইত্যাদি অনেক কিছুই চলে আসবে। তবে একটা ব্যাপার যেটা সবাই বুঝতে ভুল করে সেটা হল- বাংলাদেশে যারা উইন্ডোজ ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করে তারা আসলে পাইরেটেড উইন্ডোজের ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করে। কেউ পাঁচওয়াক্ত নামাজ পড়ছে, সবসময় সৎ পথে চলছে অথচ বাসায় ব্যবহার করছে চোরাই জিনিস! ব্যাপারটা কেমন হল? চুরি করা জিনিস ব্যবহার করে নিজেকে চোর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দায়ভার কেবল নিজের উপরই বর্তায়না,বরং সমগ্র দেশের উপরই বর্তায়। বিশ্বে আইটি সেক্টরে সবাই বাংলাদেশকে চেনে চোরের দেশ হিসেবে- এটা নিশ্চয়ই সুখকর কিছুনা। তাই আমাদের শত্রুতা পাইরেসির সাথে উইন্ডোজের সাথে নয়।

  3. আমি এত কিছু বুঝিনা। উবুন্টু ইজ দ্যা বেস্ট। যে উইন্ডোজে বিল্লু মামা ২০০ ডলারে বিক্রি করে, তার চেয়ে অনেক অনেক ভাল জিনিস ক্যানোনিকাল আমাদের ফ্রী দিচ্ছে……আমি বুঝিনা মানুষ যে কেন উইন্ডোজ কিনে ব্যবহার করে……!!!!!!

    @সজিব ভাই,
    আপনি এই লিংক টা দেখতে পারেন।
    http://omi.net.bd/category/uni-joy

  4. বাহ ! সুন্দর একটা আলোচনা পেলাম । পোষ্ট নিয়ে বলার ইচ্ছা ছিল কিন্তু অভ্রনীল ভাইয়া সব বলেই দিয়েছেন 🙂 🙂

    যাই হোক রেফ এর ব্যাপারটা আমার পোষ্টেও বলেছি এখানেও বলি – একদম উচ্চারণের মত লিখলেই কাজ শেষ । সামুতে যে ইউনিজয় আছে তাতে রেফ দিতে হয় পরে । কিন্তু এই ইউনিজয়ে রেফ দিতে হয় আগে (ইউনিজয় , আর ইউনিবিজয়ে বোধহয় পার্থক্য আছে , এখন আপাতত জানার সুযোগ নাই 😦 ) । টার্মিনাল বলতে গেলে “ম” এর আগে আসে “র” , পরে নয় , লিখতেও হবে সেভাবেঃ
    টা+র্+মি+না+ল 🙂

    • হে হে, কাজ হয়েছে। ইউনিজয় আর ইউনিবিজয়ে পাথর্ক্য আছে, সত্যি। এই পাথর্ক্য থাকার কারণেই উবুন্টুতে বাংলা লিখতে কষ্ট হচ্ছে। 😦

  5. Pingback: এক হাতে ছুরি তোমার, অন্য হাত খালি! « আমিনুল ইসলাম সজীবের বাংলা ব্লগ

  6. @ অভ্রনীল, একেকজনের কম্পিউটার ব্যবহারের মাত্রা একেক রকম। আমি আমার কথা বলেছি। পোস্টের শিরোনামও তাই বলে। উবুন্টু এখন পর্যন্ত সেকেন্ড অপারেটিং সিস্টেম হিসেবেই ব্যবহার করবো আমি। আর আপনি নিজেই বলেছেন অল্প সময়ে উবুন্টু উইন্ডোজকে পেছনে ফেলতে পারবে না। অর্থাৎ, ক্লিয়ারলি আরো সময় লাগবে উবুন্টুর, যা আমি পোস্টেই বলেছি।

    • আর আপনি নিজেই বলেছেন অল্প সময়ে উবুন্টু উইন্ডোজকে পেছনে ফেলতে পারবে না। অর্থাৎ, ক্লিয়ারলি আরো সময় লাগবে উবুন্টুর, যা আমি পোস্টেই বলেছি।
      কখন বললাম!

      আর “কোনটা আগে কোনটা পিছে” সেটা নিরীক্ষার মানদন্ডটা কি সেটাও বলেছি।

  7. Pingback: উবুন্টু ১০.০৪ লুসিড লিংক্স রিভিউ সংগ্রহ « উবুংবাদ

  8. লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো।
    পড়ার পর কিছু মন্তব্যে লেখার আগেই দেখি অন্য অনেকেই লিখে দিয়েছে। আপনার কিছু সমস্যা হচ্ছে তারপরও আপনি উবুন্টু ব্যবহার করে যাচ্ছেন এটি সবথেকে ভালো দিক। সমস্যা থাকলে সমাধানও থাকবে , সবসমাধান একসাথে না হলেও সমাধান যে হচ্ছে না এমন কিন্তু নয়।

  9. আমার pc তে Ubontu install করার পর on হবার একটু পর pc hang করে। আমার pc Intel P4 & Ram 512। আমি কিভাবে সমাধান পেতে পারি?

  10. Pingback: উবুন্টু ১০.০৪ লুসিড লিংক্স রিভিউ সংগ্রহ | বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s