স্টিকিঃ এই ব্লগের সূচনা

বাংলা ব্লগিং ইন্টারনেটে বেশ ঝামেলা হলেও মাতৃভাষা বলে বাংলায় ব্লগিং করার প্রবল ঝোঁকটা দমন করা যায় না। বাংলার সবচাইতে বড় সমস্যা হলো এই যে, ভিজিটরের কম্পিউটারে বাংলা ফন্টটি না থাকলে সেই সাইট দেখা দুষ্কর। তবে ইদানীং সেই সমস্যা কমে আসছে।

এবারে আসুন জানা যাক এই ব্লগটি কেন তৈরি হল। মূলত বাংলা ব্লগিং করে থাকি আমি সামহোয়্যার ইন ব্লগে। কিন্তু প্রায়ই অনেক ব্লগারের কাছ থেকে অভিযোগ শুনি যে সা.ইন থেকে পোস্ট উধাও হয়ে যায়। আমি ভয়ে ভয়ে আছি কবে আমার পোস্টও নাই হয়ে যায়। দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সা.ইন ব্লগ ব্যাকআপ হিসেবে এই ব্লগ তৈরি করা হল। এছাড়াও সা.ইনে আরেকটি সমস্যা হলো এই যে, আনরেজিস্টার্ড পাঠকরা সেখানে মন্তব্য করতে পারেন না। কিন্তু আমি চাই আমার পোস্টে সকল পাঠক মন্তব্য করুক। সবাই যাতে মন্তব্য করতে পারে সেটাই এই ব্লগ তৈরির অন্যতম উদ্দেশ্য। এখন থেকে সা.ইনে প্রকাশিত আমার সব ব্লগের শেষে এই ওয়ার্ডপ্রেসে প্রকাশিত একই লেখার ব্যাকআপ লিংকও দিয়ে দেয়া হবে, যাতে আনরেজিস্টার্ডরাও মন্তব্য করতে পারেন।

মূলত এটাই হচ্ছে এই ব্লগ তৈরির পেছনে মূল উদ্দেশ্য। বাংলা ব্লগের পাশাপাশি আপনারা আমার ইংরেজি ব্লগও ঘেঁটে আসতে পারেন যেখানে আমি তুলনামূলক বেশি অ্যাকটিভ। আর বিস্তারিত জানতে আমার সম্পর্কে পৃষ্ঠা দেখতে পারেন।

এলো এইচএসসি, আর বরাবরের মতোই দুশ্চিন্তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না!

hsc exam

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হতে যাচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। এরকম খবর প্রতি বছর পত্র-পত্রিকায় পড়ে আসলেও এবারের ঘটনা ভিন্ন। কেননা, এবার আমাকেই বসতে হবে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায়।

প্রিপারেশন জানতে চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।পরীক্ষা নিয়ে টেনশন কোনোকালেই কেন যেন ছিল না। পড়াশোনার প্রতি খুব একটা টান বা মনোযোগ দু’টোর একটাও নেই। অনেক আগে ক্লাস ওয়ান-টু-তে পড়াকালীন বেশ প্রখর ছাত্র ছিলাম বলে অভিভাবক সূত্রে জানা যায়। :| কিন্তু সেসব দিনের কথাই মনে পড়ে না। তাই এইচএসসি পরীক্ষা সামনে রেখে এখন ব্লগিং করছি আর ফেসবুকে বসে আছি।

আমার সম্পর্কে মানুষের একটা জনপ্রিয় ভুল ধারণা হলো, আমি মারাত্মক ট্যালেন্টেড। কোনো এক অশরীরী আমার নামে সাইবার ওয়ার্ল্ডে এই দুর্নাম ছড়াচ্ছে তা এখনও বের করতে না পারলেও মানুষ কেন সেটা বিশ্বাস করে সেটা আরও বড় অবাক হওয়ার কারণ। আমি হলাম পুরোমাত্রায় টেক-অ্যাডিক্টেড মানুষ। টেক-অ্যাডিক্টেড মানুষ পড়ালেখা করে না এমনটা না। কিন্তু তবুও আমার আলসেমিটা একটু বেশিই। :-? Continue reading

ফিরে পাওয়া গেছে অ্যান্ড্রয়েড কথনের সব ডেটা

Reblogged from অ্যান্ড্রয়েড কথন:

অ্যান্ড্রয়েড কথন হ্যাকের খবর আশা করছি ইতোমধ্যেই সবাই জানেন। এ নিয়ে আমার (সজীব) মন্তব্যও প্রকাশিত হয়েছে আমার ব্যক্তিগত ব্লগে। অ্যান্ড্রয়েড কথন হ্যাক নিয়ে পাঠক যারা তাদের উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন ও আমাদের ফিরে আসার অপেক্ষা করে শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের প্রথমেই ধন্যবাদ।

অ্যান্ড্রয়েড কথন হ্যাক হবার পর প্রথম দুশ্চিন্তা ছিল ডেটাবেস নিয়ে। সাইটের ফুল ব্যাকআপ থাকলে হ্যাকড থেকে রিস্টোর হওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ প্রযুক্তি চালু থাকায় হ্যাক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খুব একটা দুশ্চিন্তায় পড়ার কোনো কারণ ছিল না। কিন্তু সর্বশেষ ব্যাকআপের ডেটাবেস ফাইলে কিছু ত্রুটি থাকার কারণে আমরা কোনোভাবেই পুরো ডেটাবেস রিস্টোর করতে পারছিলাম না। আমাদের ব্যাকআপ নেয়ার জন্য এই একটি পদ্ধতিই সক্রিয় ছিল। অন্য মাধ্যমে সর্বশেষ নেয়া ব্যাকআপ ছিল এক মাস আগের। অর্থাৎ, এই প্রযুক্তির ব্যাকআপগুলো কাজ না করার অর্থ এক মাস আগে ফিরে যাওয়া, যার মানে গত একমাসের সব লেখা ও মন্তব্য গায়েব।

Read more… 3 more words

ফিরে আসবে অ্যান্ড্রয়েড কথন। একটু সময় লাগলেও সব লেখা আর মন্তব্যই পাওয়া যাবে। শুভানুধ্যায়ী ও পাঠকদের জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। :)

অ্যান্ড্রয়েড কথন হ্যাক ও এ নিয়ে আমার কিছু কথা

অ্যান্ড্রয়েড কথনঅ্যান্ড্রয়েড কথনের সূচনা নিয়ে আগেই একবার লিখেছিলাম। আজ সন্ধ্যায় সাইটটি হ্যাক হয়ে যাবার পর মনে হলো পাঠকদের উদ্দেশ্যে আমার কিছু লেখা উচিৎ। এছাড়াও ব্যাকআপ ফাইল আপলোড হতে যে সময় নিচ্ছে ততক্ষণে ক্ষোভ-দুঃখ ঝাড়ার মতো একটাই উপায় আছে আমার কাছে, লেখা।

সূচনা

অ্যান্ড্রয়েড কথনের যাত্রা শুরু হয় একরকম হঠাৎ করেই। আমার প্রথম অ্যান্ড্রয়েড কেনার প্রায় কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মনে হলো অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে ডেডিকেটেড কোনো সাইট থাকা প্রয়োজন। ইতোমধ্যেই অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারে অনেক লেখা আছে, কিন্তু ডেডিকেটেড কোনো সাইট নেই।

এরচেয়েও বড় কারণ ছিল, লেখালেখি বা ব্লগিং-এর প্রতি আমার একটা নেশা আছে। অ্যান্ড্রয়েড হাতে পাবার পরই মনে হয়েছে এটা নিয়ে অনেক লেখালেখি করা যাবে। আর লেখক/ব্লগার মাত্রই জানেন যে, সবাই এই আশা করে যে তার লেখা মানুষ পড়বে।

যাই হোক, অনেকটা চুপিসারেই অ্যান্ড্রয়েড কথনের যাত্রা শুরু হয়। ফেসবুকে কেবল আমার বন্ধুতালিকায় থাকা ভাইয়ারাই প্রথমে সাইটটি দেখেন ও এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। ফেসবুকের মাধ্যমেই মূলত অ্যান্ড্রয়েড কথন মাত্র ৩ মাসে দেড় লাখেরও বেশি পেজভিউ পেতে সক্ষম হয়। বর্তমানেও অ্যান্ড্রয়েড কথনের প্রধান দুই ট্রাফিক সোর্স হলো ফেসবুক আর গুগল।

সময় পেরোতে থাকে। আমিও বিপুল উদ্যমে লিখতে থাকি। কিছু কিছু ভাইয়া পরামর্শ দেন বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতেও লেখার। এতে করে অ্যাডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট ইত্যাদি মাধ্যম থেকে আয়-রোজগার করা যাবে। ইংরেজিতে লিখতে আমার কোনো বাধা নেই। কিন্তু লেখার চেয়ে মার্কেটিং, এসইও ইত্যাদি কাজে বেশি সময় কাটাতে হবে। এছাড়াও ইংরেজি সাইট দাঁড় করানোও বেশ কঠিন। অন্যদিকে অ্যান্ড্রয়েড কথন মোটামুটি পরিচিতি পেয়ে গেছে। মানুষ নিয়মিত অ্যান্ড্রয়েড কথন পড়ছেন। তৈরি কমিউনিটি ছেড়ে অন্যদিকে যেতে সায় দিচ্ছিল না মন। তাছাড়া আমার সামনে পরীক্ষা রেখে দু’টো সাইট চালানোও সম্ভব না। Continue reading

অল্পক্ষণের নিরাশার কথা

‘হুম।’
‘তোমাকে ডিস্টার্ব করে থাকলে সরি।’
‘দেখো, আর যাই করো, বেশি বুঝবানা। তাহলে কিন্তু মেজাজ খুব খারাপ হয়।’
‘বেশি বুঝার কিছু নাই। আমার মনে হচ্ছে আমি তোমাকে ডিস্টার্ব করছি। সে জন্য বললাম।’
‘হুম।’

দুপুর থেকে ফেসবুকে বসে রয়েছি। ঘুম থেকে উঠেছি দেরি করে। আগের রাতে ঘুমিয়েছিও দেরি করে। ঘুম থেকে উঠে গিয়েছিলাম আইডিবিতে। একটা রাউটার আর কিবোর্ড কেনার খুব দরকার ছিল। ঈদের আগেরদিন আইডিবি বন্ধ থাকবে জানতাম না। শুধু শুধুই গিয়ে ঘুরে এলাম। আসার পর ল্যাপটপ খুলে বিছানায় আধশোয়া হয়ে পড়ে রয়েছি। ঘুমও আসছে না, কাজ করতেও ইচ্ছে করছে না। আগামীকাল কুরবানীর পরের হাজারটা কাজের কথা চিন্তা করে এখনই মাথা ধরতে শুরু করেছে। আমি এমনিতেও কথা কম বলি। ‘হুম’ হচ্ছে আমার সবচেয়ে বেশি বলা আর লেখা শব্দ। তাই কেউ আমাকে বারবার হুম বলতে দেখলে প্রায়ই ভুল বুঝে যে আমি এড়ানোর চেষ্টা করছি।

কিন্তু কয়েকদিন কথা বলার পর বুঝে যাওয়ার কথা যে ‘হুম’ হচ্ছে আমার সবচেয়ে বেশি বলা শব্দ। কিন্তু তাও না বুঝলে আমার আর কী করার আছে। তাই আমিও তর্কে গেলাম না। বিছানায় আধশোয়া হয়ে পড়ে রইলাম। Continue reading

শূন্য অনুভূতি

গতকালের মতো আজও কেমন যেন একটা শূন্য অনুভূতি রয়ে গেছে। সত্যি কথা বলতে কি, আজকের শূন্য অনুভূতিটা গতকালের চেয়ে গাঢ়। বাউলরা গান গেয়ে চলেছে। তাদের বাদ্যযন্ত্রের সুর না চাইলেও শুনতে হচ্ছে। তাদের সুর যেমনই হোক না কেন, বরাবরের মতোই কেমন যেন শূন্য একটা অনুভূতি এনে দিচ্ছে। বাইরে আজও কুয়াশা পড়েছে। কিন্তু অজানা কোনো স্মৃতির উদ্দেশ্যে আমি আজ স্মৃতির পাতা হাতড়াচ্ছি না। কিছু একটা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চাচ্ছি। একটু ভালো থাকতে চাচ্ছি।

হঠাৎ করেই ভালো থাকাটা বেশ কঠিন মনে হচ্ছে কেন যেন। আর শূন্য অনুভূতিটা এতোটাই গাঢ় রূপ নিয়েছে যে, বিশ্বাস করতে বাধ্য হচ্ছি, শূন্যই শেষ নয়। শূন্যেরই প্রকারভেদ আছে। হালকা শূন্য, মোটামুটি শূন্য কিংবা ঘন শূন্য। আর অংকের হিসেবে বলতে গেলে বলতে হবে এই মূহুর্তে আবার অনুভূতিটা শূন্য3। গাণিতিকভাবে এটা শুদ্ধ হোক বা না হোক, মানসিকভাবে এটাই এখন সত্যি।

অনিশ্চিতের উদ্দেশ্যে

কুয়াশা

দু’ধারে ল্যাম্পপোস্ট, দু’জোড়া পা, কুয়াশার মাঝে হারিয়ে যাওয়া

এখন অনেক রাত। মধ্যরাত যদি রাত বারোটাকে বলা হয়, তাহলে মধ্যরাত পেরিয়েছে ১ ঘণ্টা ১৭ মিনিট আগে। অবশ্য দূরের মাজারের মাইকের আওয়াজ এখনও দিনের মতোই স্পষ্ট। বলা যায়, দিনের চেয়ে বেশি স্পষ্ট। বাউলরা মিলে গান ধরেছে। গতকাল উরস ছিল বলে সেই রেশ এখনও কাটেনি। আগে প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত বাউলদের গান শোনা যেত। আজ অনেকদিন পর সেই অনুভূতিটা ফিরে এলো।

এসব বাউলদের গানে বেশিরভাগ কথাই আমি বুঝি না। কিন্তু তাদের যন্ত্র সঙ্গীতে কেমন যেন একটা উদাস করা ভাব আছে। যেই জিনিসটা আগে কোনোদিন করেছে কি না জানিনা, এখন আমার উপর বেশ ভালোই প্রতিক্রিয়া ফেলছে। কাজকর্ম সব বাদ দিয়ে বসে আছি হেলান দিয়ে। গান শুনছি না। গানে কোনো মনোযোগ নেই। কিন্তু তবুও কেমন যেন শূন্য একটা অনুভূতি হচ্ছে। Continue reading

জ্যোতির্বিদ কর্তৃক আম্মু জানিয়া আসিল, আমি নাকি প্রেমিক পুরুষ!

gemini মিথুন রাশি

সকালে আম্মু একটা কাজে এক জায়গায় গিয়েছিল। কোথায় গিয়েছিল সেটা না-ই বললাম। তো সেখানে নাকি হঠাৎই কোন এক নামকরা জ্যোতির্বিদও এসে উপস্থিত হয়েছে। ফাও পেয়ে আম্মুর সঙ্গের অন্যান্য মহিলারা নাকি তাকে জেঁকে ধরেছিল রাশিফল দেখে দিতে। আম্মুরও শখ জাগলো আমাদের তিন ভাই-বোনের রাশিফল জানার। তাই তিনিও লাইন দিয়ে বসে গেলেন।

জুনের পাঁচ হচ্ছে আমার বার্থডে। সেই হিসেবে আমার রাশি হচ্ছে মিথুন। জ্যোতির্বিদ সাহেব নাকি আম্মুকে আমার রাশি দেখে বললেন, আমি হচ্ছি প্রেমিক পুরুষ। আজকে রাতে আমি ঘরে ফেরার পর আম্মুর নিজ জবান সূত্রে আমি এই তথ্য জানলাম। :| Continue reading

আজ কলেজেঃ গার্লফ্রেন্ড ভার্সাস কম্পিউটার

beautiful girl

কলেজে টিফিনের পর দেখলাম বিশালদেহী আবির বড় বড় পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে। বুঝলাম, বকবকানির জন্য নতুন কিছু খুঁজে পেয়েছে পোলাটা। প্রতিদিনই তার একটা না একটা ডায়ালগ জোগাড় করে আনে আর সারা ক্লাস অস্থির করে ফেলে। হাঁটতে হাঁটতে যখন আমার দিকে কয়েকবার তাকালো, আমি রীতিমতো প্রমাদ গুণতে শুরু করলাম। সবকিছু যেন স্লো মোশন হয়ে গেল। মনে হলো ছাত্রদের কোলাহল অনেক দূর থেকে আসছে। আশেপাশে সব ঘোলা হয়ে গেছে। কেবল আবিরের শরীরটা স্পষ্ট। ও আসছে। ধীর অথচ দীর্ঘ পদক্ষেপে এসেই চলেছে। এ আসা যদি না শেষ হয়…. তাহলে অবশ্য ভালোই হতো।

যাই হোক, অবশেষে আবির ক্লাসরুমে এসে ঢুকলো। “দোস্ত, নিশিগো (ছদ্মনাম) ক্লাসের এক পোলায় তো মারাত্মক ছবি তুলে।” Continue reading

অ্যান্ড্রয়েড কথন ১৩০০+ হিটের পেছনের কথা

অ্যান্ড্রয়েড কথন লোগোগতকাল ৩০শে আগস্ট আমার জন্য মনে রাখার মতো একটা দিন গেলো। ২৯ তারিখ রাত থেকে ল্যাপটপে টানা বসেছিলাম বার্লিনের আইএফএ প্রদর্শনীর আগে হতে যাওয়া প্রেস কনফারেন্সগুলো নিয়ে রিপোর্ট লিখতে। সনি আর স্যামসাং নতুন কিছু পণ্য আনবে বলেছিল আর তাই বিশ্বের হাজার হাজার মানুষের মতো আমিও ফলো করছিলাম বেশ কয়েকটি বিদেশি সাইট। তবে বাংলায় তাৎক্ষণিকভাবে আপডেট দেয়ার জন্য আমার মতো আর কেউ ছিলো কি না সে ব্যাপারে আমার অবশ্য সন্দেহ আছে।

যাই হোক, সারারাত আর মোটামুটি সারাদিন খাটা-খাটনির ফলও পেলাম গতকালই। দিন শেষে সাইটের হিট ছিল ১,৩৫৭। তবে এখানে আরও অনেক তথ্য লুকানো আছে। যারা অ্যান্ড্রয়েড কথন নিয়ে আগ্রহী, তারা পুরো পোস্টটা পড়তে পারেন।

Continue reading